1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৫:৫১ আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




সাঘাটায় স্বামী শাশুড়ীর নির্যাতনে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে মুক্তা বেগম

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬৯ বার দেখা হয়েছে

প্রতিনিধি, গাইবান্ধা:
গাইবান্ধার সাঘাটায় স্বামী শাশুড়ী ও ননদের নির্যাতনে মুক্তা বেগম নামের এক গৃহবধূ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় মামলা হলেও পুলিশ আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
জানাযায়, সাঘাটা উপজেলার দলদলিয়া গ্রামের মৃত মন্তাজ আলীর পুত্র বাবু মিয়ার সাথে একই উপজেলার বুরু্্ঙ্িগ গ্রামের মৃত নওয়াব আলীর একমাত্র মেয়ে মুক্তা বেগম এর গত পাঁচ বছর পূর্বে ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন হয়। ভুক্তভোগীর থানায় এজাহার সুত্রে জানা যায়, মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে তাদের বিবাহের রাত্রিতে তিন ভরি ওজনের স্বর্নলংকার ও ঘরের যাবতীয় আসবাপত্র উপঢৌকন আমার জামাই বাবু মিয়ার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেই। বিবাহের পর কিছুদিন আমার মেয়ে মুক্তা সুখে শান্তিতে ঘর সংসার করতে থাকে। একপর্যায়ে আমার মেয়ের গর্ভে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে। আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম রাখা হয় মোক্তাকিন (১)। কিন্তু গত ৬ মাস পূবে হইতে মুক্তার স্বামী বাবু মিয়া তার বড় ভাই জহির উদ্দিন, বোন রিক্তা বেগম মা জরিনা বেওয়াসহ বেগম, ফেন্সি.’র কুপরামর্শে ও সহায়তায় বাবু মিয়া আমার কন্যার নিকট হইতে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে। আমার মেয়ে মুক্তা বেগম উক্ত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার স্বামী বাবু মিয়াসহ তার পরিবারের সকলে আমার মেয়ের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। এমনঅবস্থা চলাকালে ঘটনার দিন ২২ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ রাত্রে আমার মেয়েকে শয়ন ঘরের মধ্যে লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন স্থানে এলোপাথারী মারপিট করিয়া ছেলা ফোলা জখম করে। আমার মেয়ে মুক্তা অজ্ঞান হইয়া পড়িলে বাবু মিয়া ঘটনার বেগতিক দেখে মোছাঃ বেগম ফেন্সি আমার মেয়ের পরনের শাড়ী কাপড় দিয়ে ঘরের ধরনার সাথে ফাঁসে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টাকালে ঘটনাস্থলে শোরগোল শুনিয়া ও আমার কন্যা গোংরানোর শব্দ শুনিয়া প্রতিবেশী লোকজন ঘটনারস্থলে উপস্থিত হইয়া ঘটনা দেখে আমার মেয়েকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। পরের দিন, ২৯ জানুয়ারি আমি বিশ্বস্থ সুত্রে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমার মেয়ের এমন দূঃখ জনক ঘটনার কথা আমাকে অবগত করিলে আমি ঢাকা থেকে দূরত্ব নিজ বাড়িতে আসি। আসার পর আমি আমার নিকটতম আতœীয় স্বজন ও প্রতিবেশী লোকজন কে সাথে নিয়ে আমার মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে মুক্তা বেগম অসুস্থ। তার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে বিভিন্ন প্রকার বাধানিষেধ করে। পরবর্তীতে আমি আমার মেয়ের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কা জনক দেখে ১০ নং বোনার পাড়া ইউপি সাবেক মেম্বার পপলু সহ আরো অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে মেয়ের বাড়ীতে যাই। ঐদিন যাওয়ার পর সকলের সহযোগিতায় আমার মেয়েকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক ভাবে গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালের জুররি বিভাগে ভর্তি করি। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মুক্তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কা জনক দেখিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। বর্তমানে আমার মেয়ে মুক্তা বেগম আমার বাড়িতে মৃত্যুর সহিত পাঞ্জা লড়ছে। এব্যাপারে মুক্তা বেগম এর মা নাজমিন বেওয়া বাদি হয়ে সাঘাটা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে সাঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান ১১(ক)/৩০, ২০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন ২০০৩; হত্যার উদ্দেশ্যে যৌতুকের জন্য মারপিট ও সহায়তার অপরাধ আইনে মামলা রুজুু করেন। মামলা রুজুর তিন দিন পরও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। অপরদিকে আসামি পক্ষ মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ