1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৫:৪৭ আজ রবিবার, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




কৃষিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়লেও মিলছে না কৃষিঋণ

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ৯২ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:
কৃষিভিত্তিক আয়-উপার্জনে গ্রামীণ নারীর অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়লেও কৃষি ঋণ প্রাপ্তিতে নারীর নামে সম্পদ কৃষ জমি না থাকায় সরকারি-বেসরকারি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। একারেণ কৃষি চাষাবাদে অর্থের সংস্থান না থাকায় নিজেদের ইচ্ছেমতো কৃষি ফলন উৎপাদনে আশানূরুপ ভূমিকা রাখতে পারছেন না বেশিরভাগ নারী। খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে বিশেষ করে, শস্য উৎপাদন থেকে প্রক্রিয়াজাত, সংরক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় নারীদের অংশগ্রহণ, দৃশ্যমান এখন পুরুষের প্রায় সমসংখ্যক। আবার অনেক ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারীদের অবদান এখন ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি হলেও কৃষিঋণ প্রাপ্তি ও প্রণোদনায় নারীরা এখনও বঞ্চিত হচ্ছেন।
গাইবান্ধার কৃুঠিপাড়া গ্রামের কৃষক লাইলি বেগম জানান, দীর্ঘদিন একটি ধরে একটি এনজিও এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। পারিবারিক উন্নয়নে সাথে কয়েক বিঘা জমিও ক্রয় করেছি। কিন্ত জমিগুলো স্বামী-সন্তানের নামে থাকায় ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তি করতে পারছি না। তিনি বলেন, জমির কাগজপত্রগুলো পুরুষের নামে থাকায় নারী হিসেবে কয়েক দফা ব্যাংকে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হয়েছি।
সদর উপজেলার মোল্লারচর গ্রামের হামিদা বেগম জানান, চরের ৯০ শতাংশ নারী এখন মরিচ ও ভুট্টা চাষের সাথে সম্পৃক্ত। কিন্তু সরকারি বেসরকারি সহায়তা পান পুরুষ চাষীরা। বিভিন্ন সময়ে বিশেষ সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে লটারি হলেও নারীদের কে বাদ দেয়া হচ্ছে।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের সমন্বয়কারী (ক্ষুদ্র ঋণ) অখিল চন্দ্র বর্মন জানান, এনজিও থেকে কৃষি ঋণ প্রদানে নারীদেরকেই প্রাধাণ্য দেয়া হয়। তবে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারীদের ঋণের চাহিদা বেড়ে গেছে। ক্ষুদ্র ঋণপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নারীদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে পারছেন বলে তিনি জানান।
গাইবান্ধায় প্রান্তিক কৃষকদের নিয়ে গঠিত কৃষি এসোসিয়েশন এর শাহিদা বেগম জানান, কৃষিতে পুরুষের চেয়ে নারীরা বেশি ভুমিকা রাখলেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে পরিকল্পনা অনযায়ী কৃষি চাষাবাতে তেমন ভুমিকা রাখতে পারছেন না।
গাইবান্ধার কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড, বালুয়া শাখার ম্যানেজার মো. আইনুল হক জানান, ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংক সবসময় নারীদের প্রাধান্য দিয়ে থাকে। কিন্তু প্রয়োজনীয় শর্ত বিশেষ করে জমি-জমার কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ঋণ প্রদান করা সম্ভব হয়। তিনি আরো বলেন, জমি-জমার কাগজপত্র ছাড়া ঋণ প্রদান করলে সেই ঋণ আদায়ে ৯৫ শতাংশই খেলাপি হয়। একারণে জামানতবিহিন নারীদের ঋণ প্রদানে ব্যাংক খুব বেশি উৎসাহিত হয় না। নানা জটিলতায় ও তথ্যাদি পুরণ করতে না পারায় ব্যাংকগুলো থেকে মাত্র শতকরা ২ থেকে ৩ শতাংশ নারী কৃষি ঋণের সুবিধা পেয়ে থাকেন বলে জানান তিনি।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ