1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ১১:০১ আজ সোমবার, ৩রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




আসছে শীতের অতিথি পাখি

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ৮৪ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:
শীতের মাত্রা বৃদ্ধির সাথে উত্তরজনপদের ব্রহ্মপুত্র-যমুনার চরাঞ্চলে আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ থেকে বালি হাঁস, লেঞ্জা হাঁস, পাতারি হাঁস, বৈকাল হাঁস, গিরিয়া হাঁস, ধূসর রাজহাঁস, ভূতি হাঁস, চিতি হাঁস, বারো ভূতি হাঁস, বৌমুনিয়া হাঁসহর নানা জাতের পাখি। মুক্ত আকাশ হয়ে কোন ঝুট ঝামেলা ছাড়াই এই অতিথিরা বাংলার প্রকৃতিতে প্রিয় অতিথি হয়ে থাকে গোটা শীতের মৌসুম। এসব পাখিদের কলতানে মুখরিত হয় গাইবান্ধাসহ উত্তরের বিভিন্ন জলাভূমি। পাখির পাখা ছড়িয়ে দেয়া উড়ে চলার সৌন্দর্য বাংলার আকাশকে করে তোলে আরও সুন্দর-যা এই অঞ্চলের মানুষ উপভোগ করে।
চলতি মৌসুমে নভেম্বর মাসের প্রথম থেকে কিছুটা শীত অনুভূত হওয়ায় সাথে সাথে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে পরিযায়ী পাখিরা বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছে। তবে, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস এর সংখ্যা বাড়তে থাকে।
পাখিপ্রেমিক কবি আবু তাহের জানান, চরাঞ্চলগুলাতে পাখি এখন নিরাপদ নয়, কেননা জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পাখিদের নিরাপত্তা বিঘিœত হচ্ছে। ফুলছড়ির চরের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জয়নাল উদ্দিন জালাল জানান, পাখি আসার সাথে একশ্রেণির পাখি শিকারী এসেও হাজির হয়, এতে আতংকিত হয়ে পাখিরা বিভিন্ন এলাকায় চলে যায়। একারণে প্রতিবছর অতিথি পাখির সংখ্যা হ্রাঁস পাচ্ছে বলে জানান।
গাইবান্ধার পাখি প্রেমিক ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত আহমেদুল ইসলাম জানান, পাখিদের জন্য প্রয়োজন নিরাপদ আবাস্থল। যেখানে নিরাপদবোধ করে সেখানেই পাখিরা আশ্রয় নেয়-এজন্য তিনি অতিথি পাখিদের নিরাপত্তার জন্য বনবিভাগসহ সবাইকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন বলে মনে করেন।
গাইবান্ধার কাপাসিয়া, মোল্লারচর, কামারজানি, বালাসি, এরেন্ডাবাড়ি, ফজলুপুর, হলদিয়াসহবড় বড় চরে এসব পাখি দেখা গেছে। মোল্লারপরের হামিদা বেগম জানান, ইতোমধ্যে নাম অজানা বেশ কিছু প্রজাতির পাখি চরে এসেছে। শীত বাড়ার সাথে পাখির সংখ্যা আরো বাড়বে বলে তিনি জানান।
গাইবান্ধা জেলার তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র-যুমনার চরাঞ্চলের বেশ মাছ ও অন্যান্য খাবার পর্যাপ্ত থাকায় অতিথি পাখিরা বেশ স্বাচ্ছন্দে শীতমৌসুম পার করে নিজ দেশে ফিরে যায়-একারনে অতিথি সহ দেশের অন্য পাখিদের নিরাপত্তা বিষয়টি নিশ্চিত প্রয়োজন বলে জানান প্রকৃতি ও পাখিপ্রেমিক মানুষজন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ