1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সন্ধ্যা ৬:০৯ আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




পঞ্চগড় আদালতে মারপিটের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৯৭ বার দেখা হয়েছে
উমর ফারুক পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :
পঞ্চগড়ে আদালত চত্বরে মারপিটের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা মিলনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ( ২ নভেম্বর ) উচ্চ আদালত থেকে পাওয়া ছয় সপ্তাহের জামিন শেষ হয় তাঁর। দুপুরে পঞ্চগড়ের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে এসে জামিন চাইলে আদালতের বিচারক  চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মতিউর রহমান জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কুদরত-ই-খুদা তেঁতুলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তৃতীয় বারের মতো দল তাকে জনসমর্থন না করায় দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় বাংলাবান্ধা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চশমা প্রতীকে অংশ নিচ্ছেন তিনি। আবদুল হামিদ নামের এক ব্যক্তির জমিসংক্রান্ত বিরোধের একটি করা মামলায় কুদরত-ই-খুদাসহ অন্য আসামিরা গত ১৬ সেপ্টেম্বর বেলা সোয়া ১১টার দিকে পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে যান। এ সময় আদালত চত্বরে বাদী-বিবাদীপক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটে। মারামারির সময় চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে আদালতের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা আদালত ক্যানটিনে গিয়ে মারামারি থামিয়ে আবদুল হামিদ ও নুর ইসলাম নামের দুজনকে আটক করে। পরে আদালত পুলিশ পঞ্চগড় সদর থানা-পুলিশকে খবর দিলে সদর থানা-পুলিশ আদালতের বাইরে অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে আটক করে। এ ঘটনায় পুলিশের মামলা দায়েরের পর আটক ছয়জনকে সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। তবে ঘটনার পরপরই আদালত থেকে বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান কুদরত-ই-খুদা পালিয়ে যান। ওই দিন সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া আমলি আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মজিবর রহমান বাদী হয়ে কুদরত-ই-খুদাকে প্রধান আসামি করে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনকে আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় বেআইনিভাবে আদালত চত্বরে প্রবেশ করে মারামারি, সরকারি কাজে বাধাদান ও সরকারি কর্মচারীকে বল প্রয়োগের হুমকিসহ আদালতের বিচারিক পরিবেশের শৃঙ্খলা নষ্টের অভিযোগ আনা হয়। পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে আসামি আবদুল হামিদ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে স্থায়ী জামিন পান। এ ছাড়া অন্য পাঁচজন আসামি জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে রয়েছেন। মামলার প্রধান আসামি কুদরত-ই-খুদা উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ