1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৫:৩১ আজ রবিবার, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




গাইবান্ধায় নির্বিচারে শিয়াল হত্যার মহড়া

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৫৬ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:
অচেনা এক প্রাণির আক্রমন আতংকে থাকা গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলাসহ আশপাশের কয়েক উপজেলাW এখন নির্বিচারে শিয়ালকে হত্যা করা হচ্ছে।  ইতোমধ্যে শতাধিক শিয়াল হত্যা করার সংবাদ পাওয়া গেছে। আর মৃত্যু থেকে বাঁচতে এই প্রাণিটি এখন শহর ও বিভিন্ন জ্ঙ্গলে আশ্রয় নিতে ছুটাছুটি করছে। ।
অজানা এই প্রাণির আক্রমনে পলাশবাড়ি উপজেলার হরিণাথপুর গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী ফেরদৌস রহমান রুকু প্রথম আক্রান্তের শিকার হয়ে মৃত্যু বরণ করেন। এই গ্রামের শিশুসহ আরো ১৫ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
যারা এই প্রাণিটিকে দেখেছেন তারা বলছেন, প্রাণিটি দেখতে কুকুর,শিয়াল কিংবা হায়েনার মতো। মোটা ধরনের প্রাণিটির গায়ের রঙ লাল, সাদা ও ধূসর। লেজ লম্বা। মুখটা লম্বা, অনেকে আবার এটিকে হায়না ও শিয়ালের মতোও বলছেন। ধান ক্ষেত থেকে হটাৎ করেই বের হয়ে মানুষজনকে নাক, মুখ ও মাথায় আক্রমন করে। সকলের ভাষ্যমতে এই অচেনা প্রাণিটি দেখতে শেয়ালের মতো হওয়ায় আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ লাঠিসোটা নিয়ে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে এই প্রাণিটিকে।
সবশেষ ৩০ অক্টোবর সন্ধ্যায় হরিণাথপুর গ্রামের মনজিলা বেগমকে ও তার শিশুপুত্র আক্রমনের পর স্থানীয়রা ধানক্ষেতে একটি শিয়ালকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। এরপর বাদিয়াখালী, নাকাইহাট. বোনারপাড়া, রামচন্দ্রপুরসহ বেশ কিছু এলাকা থেকে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ টি করে শিয়াল মেরে ফেলা ফেলছে।
সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া গ্রামের আ. সালাম মোল্লা জানান, বাড়ির ঘরে একটি শিয়াল দেখতে পেয়ে এটি সবাই মিলে মেরে ফেলি। একই কথা জানান বোয়ালী গ্রামের আমিনুল ইসলাম।
গাইবান্ধার কবি আবু তাহের জানান, প্রাণি হত্যা কখনোই কাম্য নয়। যে প্রাণি মানুষের ক্ষতি করতে সেটি অন্য বিষয়, কিন্তু নির্বিচারের শিয়ালের উপর দোষ চাপিয়ে এই প্রাণিটিকে শেষ করা মোটেই ঠিক হচ্ছে না বলে তিনি জানান।
গাইবান্ধা শহরের কুদ্দুস আলম জানান, গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিদ্যুৎ অফিসের বিভিন্ন কক্ষে অন্ততপক্ষে ৬০টির অধিক শেয়াল আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রিত এসব শেয়ালের মধ্যে সংকট দেখা দিয়েছে।

সাঘাটার সুমন দেব জানান, নিরহ প্রানিটিকে অজুহাত তুলে হত্যা করা কোনভাবেই ঠিক হচ্ছে না, এজন্য তিনি সবাইকে সচেতন থাকার অনুরোধ করেন।
এদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাসুদার রহমা জানান, প্রতক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী প্রাণিটি শিয়ালের একটি প্রজাতি হতে পারে। প্রাণিদের আবাসস্থল না থাকায় এধরণের ঘটনা ঘটছে বলে তিনি মনে করেন। তবে তিনি নিরাপদে থাকতে মানুষজনকে সতর্ক হয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। কেউ আক্রান্ত হলে দ্রুত জলাতঙ্কের টিকা নেওয়ার পরামর্শ এই কর্মকর্তার। এক্ষেত্রে পিটিয়ে শিয়াল হত্যা করা ঠিক হচ্ছে না বলে তিনি জানান।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ