1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৪:৪৩ আজ রবিবার, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




বগুড়ায় নৌকা প্রতীক প্রার্থী কর্তৃক রগ কাটা মামলা গ্রেফতার ৪

  • সংবাদ সময় : সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১
  • ৬৬ বার দেখা হয়েছে

বগুড়া সংবাদদাতাঃ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বগুড়ার শিবগঞ্জে রবিউল ইসলাম নামের এক যুবলীগ কর্মীর হাত পায়ের রগ কর্তন করে নদীতে ফেলে দিয়েছে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর সমর্থকরা এছাড়াও প্রায় ৭টি বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যপক ভাংচুর করেছে তারা। ৩১ অক্টোবার বিকেলে উপজেলার বিহার ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত রবিউল ইমলাম(২৮) নিজেও আওয়ামী লীগের কর্মী ও বিহার মোন্নাপাড়ার আব্দুল মোত্তালেবের পুত্র।

এঘটনায় দুই দল পাল্টা-পাল্টি মামলা দায়ের করেলে ৪জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আগামি ১১ নভেম্বর ২য় ধাপের নির্বাচনে বিহার ইউনিয়নে ৫জন প্রার্থী অংশ নিলেও মূলত প্রতিদ্বন্দীতা হবে বর্তমান চেয়ারম্যান, বগুড়া জেলা স্বেচ্ছসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম ও বিহার ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মতিউর রহমান মতিনের মধ্যে। এ দুজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেয়ার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দফায়-দফায় হামলা, পাল্টা হামলা, ভাংচুর চলমান রয়েছে।

৩১ অক্টোবর রোববার বেলা ১০টার দিকে মতিনের সমর্থক ভাসু বিহার এলাকার সাজু ও ইউসুফ বিহার হাটে পোস্টারিং করতে যান। এ সময় মহিদুলের লোকজন তাদের মারপিট ও ছুরিকাঘাত করেন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তাদের চিকিৎসা দিতে নিয়ে যাওয়ায় মহিদুল নিজে মতিনের অপর সমর্থক রেজাউল করিমকে বেধড়ক মারপিট করেন। এছাড়া মতিনকে সমর্থন করায় মহিদুলের লোকজন বিহার ইউনিয়নের মেম্বর রায়হান, তার ভাই রবিউল ইসলামের ওপর ক্ষিপ্ত হয়।

বিহারহাটে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের পাশে মহিদুলের সমর্থকের মুদি দোকান আছে। দুপুরে মতিনের পক্ষ নিয়ে রায়হান মেম্বরের লোকজন ওই দোকানে হামলা চালায়। খবরটি জানতে পেরে মহিদুল ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হন। বেলা ২টার দিকে এসব ঘটনার মীমাংসার নামে মতিনের লোকজনকে বিহার মোন্নাপাড়ায় ডাকা হয়। সেখানে যাওয়ার পর নৌকার বিপক্ষে কাজ করায় মহিদুলের লোকজন রায়হান মেম্বারের ভাই রবিউল ইসলামকে মারপিটের পর তার হাত-পায়ের রগ কেটে নগর নদে ফেলে দেয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করলে তিনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান।

এ প্রসঙ্গে বিহার ইউনিয়নের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবলীগ নেতা মতিউর রহমান মতিন জানান, নৌকা মার্কার প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মহিদুল ইসলামের নির্দেশে তার লোকজন প্রতিনিয়ত তার কর্মীদের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছেন। রোববার সকাল ও দুপুরে দুই দফা ছুরিকাঘাতে তার চার কর্মীকে আহত করা হয়েছে। তাদের ৭টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া নৌকা মার্কায় ভোট দিতে রাজি না হাওয়ায় তার কর্মী রবিউল ইসলামের হাত-পায়ের রগ কেটে তাকে হত্যার জন্য নদে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

মতিন অভিযোগ করেন, শিবগঞ্জ থানা পুলিশের উপস্থিতিতে এসব ঘটনা ঘটলেও পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।
এ বিষয়ে নৌকা প্রর্তীক প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মহিদুল ইসলাম এসব অভিযোগ দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, বিদ্রোহী প্রার্থী মতিন ও তার লোকজন, কর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালাচ্ছেন। পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা ও লাগাতে বাধা দিচ্ছেন।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই শিবগঞ্জ হাসপাতাল এলাকায় মইদুলকে আটকে অভিযান চালানো হয়েছিল তবে তিনি তার মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে গেছেন। তবে আজ দুপক্ষের মামলা দায়ের হয়েছে এবং অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন আছে।

উল্লেখ্য ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশ্যে আহত রবিউল ইসলামের ভাই শিমুলকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন তরে মুমুর্ষ অবস্থায় মইদুল ও তার সহযোগিরা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় ফেলে দেয়। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ওই মামলায় প্রধান আসামী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যন মহিদুল ইসলাম। এ নির্বাচনে তার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানান অনেকেই।

 




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ