1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ১:৫৭ আজ সোমবার, ৯ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




সাদা কাশ ফুলে সেঁজেছে তিস্তা, যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চল

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৩৩ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন: শরঋতুর আমাদের এদেশের প্রত্যেক ঋতুর রয়েছে নিজস্ব রুপ ও বৈচিত্র্য। তবে, ঋতুর মধ্যে শরৎ আসে নিজস্ব রং ও বৈচিত্র্য নিয়ে। বৈশ্বিক উঞ্চতা আর পরিবর্তনজনিত জলবায়ুর প্রভাবে প্রকৃতি যখন এর চিরায়িত রুপ হারাতে বসেছে তখন গাইবান্ধারর তিস্তা-ব্রহ্মপুত্র-যমুনার নদের চরাঞ্চলে তাকালে দেখা যায় বাতাসে দোল খাচ্ছে সাদা ধবধবে মন মাতানো কাশ ফুলের বাগান। আর এই কাশবাগান যেন হয়ে উঠেছে শিল্পের তুলিতে আঁকা নান্দনিক ছবি। জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সহা¯্রাধিক চরের বুকে জেগে উঠেছে কয়েক হাজার একর বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কাশ ফুলের বাগান।
দৃষ্টিনন্দন এসব কাশফুল দেখতে প্রতিদিন ভীড় জমান নানা শ্রেণির প্রকৃতিপ্রমি মানুষজন। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের দেখা মেলে কাশ বাগানের পাশে। অনেকে নৌকা ভাড়া করে আবার কেউ বালুর চর হেটে কাশ ফুলের সাথে ছবি ও সেলফি তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিচ্ছেন।
সাঘাটা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ও কবি আবু তাহের জানান, চলতি মৌসুমে বন্যার স্থায়ীত্ব কম হওয়ায় কাশবাগানের সংখ্যা বেড়েছে। একারনে বন্ধ পারিবারিক জীবন থেকে কিছুটা মুক্ত বাতাস আর সদা ফুলের সাথে এক হতে নানা শ্রেণির মানুষজন ক্যামেরা বন্দি হচ্ছেন। আর কবির মন অবশ্যই দোলা দেয় এবং তা কাব্যিক ভাষায় প্রকাশ করেন।
উন্নয়ন কর্মী জয়া প্রসাদ জানান, কাজের সুযোগ চরে যাওয়ার সুযোগ হলেও কিছুটা সময় বেশি ব্যয় করি কাশ ফুলের সাথে আর মনে প্রশান্তির জন্যই কাশ ফুল দোলা দেয় হৃদয়ের মাঝে।
ফটো সাংবাদিক কুদ্দুস আলম জানান, প্রতিবছর কাশফুলের জন্য অপেক্ষা করি। প্রতিবছর এই কাশ ফুলের বাগান নিয়ে ইচ্ছেমতো ফটো সংগ্রহ করি। এবছর জেলার চরাঞ্চলে অসংখ্য কাশ বাগানের ছবিও তিনি ক্যামেরা বন্দি করেছেন।
সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, কাশফুল যেন চরের প্রান। প্রকৃতিনির্ভর কাশ ফুল এখন চরের সৌন্দর্যের পাশাপাশি আয়-উপার্জনে কাজে লাগছে।
সাহিহিত্যক অমিতাভ দাস হিমুন জানান, শরৎ এর পড়ন্ত বিকালে বাতাসের দোলায় কাশ ফুলের বাগান সত্যিই যেন সৃষ্টির অপরুপ সৌন্দর্য্য বহন করে। একারনে কাশফুলগুলোকে পরিপুর্ণ হওয়ার জন্য চরের মানুষজনকে আরো বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ করেন।
তবে, শুধু যে প্রকৃতিপ্রেমি মেইনল্যান্ডের মানুষজনই কাশফুলকে ভালবাসছেন তা কিন্তু না , চরের শিশু কিশোরেরাও ফুলের সাথে সময় পার করেন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ