1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সন্ধ্যা ৬:৪৯ আজ সোমবার, ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি




রিলিফে কি আর সংসার চলে, প্রয়োজন কাজ ও অর্থের

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৪০ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার উত্তর দিঘলকান্দি চরের জুলেখা বেগম। বন্যায় পানিবন্দী প্রায় তিন ধরে পানিবন্দী। স্বামী স্থানীয়ভাবে কৃষিশ্রমিক হিসাবে কাজ করে যে টাকা পান তা দিয়েই সংসারের ব্যয়ভার নির্বাহ করে থাকেন। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বন্যার পানিতে এলাকার সবুকিছু ডুবে আছে। এলাকায় কোথাও কৃষিশ্রমিক হিসাবে কোন কাজের সুযোগ নেই। এরমধ্যে জমানো যে টাকা ছিল তাও শেষ হয়েছে সপ্তাহ আগে। এদিকে বন্যার স্থায়ীত্বও দীর্ঘ হচ্ছে। দু’সন্তান নিয়ে চারজনের খাদ্য চাহিদা মেটাতে চোখে-মুখে অন্ধকার দেখছেন তিনি। পানিবন্দী অবস্থায় থাকা জুলেখকে সরকারি বেসরকারি ত্রাণ পেয়েছেন কি না জানতে চাইলে কষ্টের চোখে বলেন, রিলিফ দিয়ে কি আর সংসার চলবে, প্রয়োজন কাজ ও টাকার। তিনি বলেন, প্রতিবছর এইসময়ে বন্যা হয়। তবে বন্যার পানি কতদিন থাকে তা হিসাব করে এখন বলা মুশকিল, একারণে কাজও বন্ধ থাকে। এজন্য তিনি রিলিফের পাশাপাশি সরকারের কাছে বন্যাকালীন চরাঞ্চলের মানুষের জন্য কর্মসংস্থান ও বিশেষ ভাতা প্রদানের দাবী করেন।
সদর উপজেলার কুন্দেরপাড়া চরের ছাবিনা বেগম জানান, বন্যায় নারীদের কষ্টের সীমা থাকে না। আর এবছর ত্রাণ সরকারি বেসরকারি ত্রাণ সহায়তায় নেই। সরকারিভাবে কয়েক কেজি করে চাল কেউ কেউ পেলেও বেশিরভাগ মানুষ এই সহায়তা পানি বলে তিনি উল্লেখ করে। এই গ্রামের আ. রহমান জানান, বন্যায় বাড়িঘর ক্ষতি হয়, এগুলো মেরামতে কোন সহায়তা কেউ করে না। একারণে ঋণ বা দেনা করে ঘরবাড়ি ঠিক করতে হয়।
এবিষয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী প্রধান আবদুস সালাম জানান, চরাঞ্চলের মানুষজনকে ত্রাণ নির্ভর না করে আয়মূলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। এজন্য তিনি চরাঞ্চলের যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। তবে, বন্যায় ক্ষতি হলে অবশ্যই সহায়তা পাওয়া তাদের অধিকার বলে জানান।
গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন বলেন, চরাঞ্চলের মানুষের টেকসই উন্নয়নে চর উন্নয়ন বোর্ড গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে বন্যা বা অন্য যেকোন দুর্যোগে মানুষজন সুযোগ-সুবিধা পাবে।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবন্দী রয়েছে জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার অন্ততপক্ষে ৪০ হাজার মানুষ। বন্যার স্থায়ীত্ব দীর্ঘ হওয়ায় বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিচ্ছে খাদ্য, অর্থ, গো-খাদ্য, বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকট।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ