1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সন্ধ্যা ৭:৫৯ আজ সোমবার, ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি




আষাঢ় গেল, শ্রাবনেও বৃষ্টি নেই দুঃশ্চিন্তায় চাষীরা!

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১
  • ৯৪ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:
আষাঢ় মাস পার হয়ে শ্রাবনের মাঝামাঝি সময়, তুবও দেখা মিলছে না বৃষ্টির পানি। এতে করে গাইবান্ধার খাল, বিল,পুকুর,জমির মাঠ পানি শুণ্যতায় পড়েছে। আর পানির অভাবে পাট পচানো নিয়ে বিরম্বানার পাশাপাশি চিন্তিত হয়ে পড়েছেন আমন চাষাবাদ নিয়ে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার প্রতিটি এলাকায় জমির মাঠ ধু-ধু হয়ে পড়ে আছে। খাল-বিলেও নেই পানি। জেলার ব্রহ্মপত্র-যমুনা,তিস্তা, ঘাঘট, করোতোয়াসহ ছোট ছোট নদীর পানি তলানিতে। এতে করে পাট চাষীরা পাট পচানোর জন্য পানি না পাওয়ার জমি থেকে পাট কাটতে পারছেন। আমন চাষাবাদের জন্য বীজতলাতেও পানি দিতে হচ্ছে স্যালোমেশিন দিয়ে। যেসমস্ত কৃষক বর্ষালী ধান চাষ করেছেন তারাও বিপাকে পড়েছেন। আবার আমন ধান রোপনে জমি তৈরিও করতে পারছেন না বৃষ্টির পানির অভাবে। মাঝে মধ্যে সামান্য বৃষ্টি হলেও জমিতে জমে থাকার মতো পানি মিলছে না। সাঘাটার ঘুড়িদহ গ্রামের কৃষক সেতু মন্ডল জানান, বন্যা ও বৃষ্টির এরকম ব্যতিক্রম চিত্র তিনি কখনও দেখেননি।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের কৃষক আখতারুজ্জামান জানান, এবছর বন্যাও নেই, বৃষ্টির পানিও নেই, এতে করে আমন চাষের পরিকল্পনাও তিনি করতে পারছেন না। চরদিঘলকান্দি গ্রামের আ. রহমান জানান, চরাঞ্চলে শত শত একর জমিতে পাট চাষ হয়েছে কিন্তু পানি অভাবে জাগ বা পচাতে পারছেন না।
ফুলছড়ি উপজেলার ফজলপুর চরের কৃষক জয়নুল আবেদিন জানান এখন বৃষ্টি বা বন্যা হয়ে গেলে ক্ষতি হতো না কিন্তু ধান রোপন করার পর যদি অতিরিক্ত বৃষ্টি বা বন্যা হয় তাহলে চাষীদের ক্ষতি পূষতে হয়।
জলবায়ু বিশেষজ্ঞ বৃট্রিশ দুতাবাসে কর্মরত মারজান নুর হৃদয় জানান, জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে ঋতুরও পরির্তন হয়েছে, ফলে বৃষ্টি ও বন্যার মতিগতি বোঝাও অনেকটা মুশকিল। একারনে পরিবর্তন জনিত পরিস্থিতির সাথে মানুষজনের কোপিং সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে তিনি মতামত দেন।
গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান জানান, চলতি আমন মৌসুমে ১ লাখ ১০ হাজার হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। তবে সঠিক সময়ে বৃষ্টি ও বন্যা না হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তিনি জানান, বন্যা না হলেও বছরের গড় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি আশা করেন বন্যা ও বৃষ্টি একদিকে যেমন চাষীদের জন্য আাশীর্বাদ অন্যদিকে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও বন্যা ক্ষতিও করে থাকে। চলতি বছরে বৃষ্টি না হওয়ায় চাষীরা বর্ষাকালীন চাষাবাদে বেশ ভাল ফলন পেয়েছে বলে জানান।

 




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ