1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৪:৩৪ আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




শিশু বিয়ে বিচ্ছেদ প্রতিশোধ নিতে মেয়ের পিতাকে হত্যার অভিযোগ

  • সংবাদ সময় : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১
  • ১১২ বার দেখা হয়েছে

প্রতিনিধি গাইবান্ধা:
অপহরণের পর শিশু কন্যাকে বিয়ে করার কারণে পিতা তা মেনে না নেয়ায় সরফরাজ মন্ডল (৫৫) কে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গত রোববার গাইবান্ধার উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর ছয়ঘড়িয়া গ্রামে পরিত্যক্ত একটি বাড়ির বারান্দা থেকে সরফরাজ মন্ডলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সরফরাজ পাশর্^বর্তী বিলভর্তি গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় নিহত সরফরাজ মন্ডলের স্ত্রী কাবাসী বেগম বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় আনোয়ার হোসেনসহ চারজনকে আসামী করে রোববার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সরফরাজ মন্ডলের মেয়ের সোনালী আক্তার (১৫) কে একই গ্রামের প্রতিবেশী মৃত দবির উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩০) প্রায় দু’বছর আগে ভয়ভীতি দেখিয়ে অপহরণ করে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। বিয়ের কিছুদিন পর সোনালী খাতুন বাবার বাড়ীতে চলে আসে এবং একপর্যায়ে আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। গত কিছুদিন ধরে আনোয়ার হোসেন বিভিন্নভাবে সোনালী ও তাঁর পিতা-মাতাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। সম্প্রতি সোনালীর ভাইকে আনোয়ার বেদম মারপিট করে বলে সোনালীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এর পরই সরফরাজ মন্ডলকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবার ও গ্রামবাসীর ধারণা।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, সরফরাজ মন্ডল গত শনিবার বিকালে পাশ্ববর্তী দাঁড়িদহ হাটে যান। রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুজির পরেও তাঁর সন্ধান পায়নি। রোববার সকালে পাশ্ববর্তী কৃষ্ণপুর ছয়ঘরিয়া গ্রামের জনৈক মিঠুৃ মিয়ার অব্যবহৃত একটি বাড়ির বারান্দায় স্থানীয়রা তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন জানান, নিহতের মুখে রক্তের দাগ ছিল। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ