1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ৭:৩৬ আজ মঙ্গলবার, ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




কঠোর লকডাউনে কঠিন বিপাকে রাণীশংকৈলের ক্ষুদ্র চা ও পান দোকান ব্যবসায়ীরা

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে
Exif_JPEG_420

নাজমুল হোসেন রানীশংকৈল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঃ  করোনার দ্বিতীয় ঢেউর সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের দেওয়া কঠোর বিধিনিষেধে কঠিন বিপাকে পড়েছেন একবারে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এবারের লকডাউনে কল-কারখানা খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হলেও বিপণিবিতান, রেস্তোরাঁ, সবজি বিক্রেতাসহ কম পুঁজির ব্যবসায়ীদের ওপর তুলনামূলক কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সীমিত পরিসরে অফিস, ব্যাংক খোলা রাখা হলেও মরার উপর খারার ঘাঁ হয়ে পড়েছে লাখ লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর উপর। ইতিমধ্যে দোকানপাট খোলা রাখার দাবিতে রাজধানী সহ ঢাকার বাইরের ব্যবসায়ীরা মাঠে নেমেছিল কিন্তু তাতে কোন ফল পাইনি ক্ষুদ্র দোকানিরা।
সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, হোটেল, রেস্তোরাঁ খোলা থাকবে। তবে সেখানে বসে খাওয়া যাবে না। এর ফলে সবচেয়ে বড় লোকসানে পড়েছে ছোট ছোট চায়ের দোকান, ছোট ছোট খাবার হোটেল, ক্ষুদ্র পান দোকানী সহ এ ধরনের ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা। যাদের সংসার চালাতে একমাত্র উপার্জন এই ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি। ইতিমধ্যে দেখা গেছে অনেকেই রাতের আধারে দোকানের সাটার বন্ধ অবস্থায় দোকানের বেচা বিক্রি করতে। কিন্তু ভাগ্যক্রমে পড়ে যেতে হয় মোবাইল কোর্টের সামনে। তারপর গুনতে হয় দুই থেকে পাঁচশত বা হাজার টাকা পযন্ত মোবাইল কোর্টের জরিমানা যা লুকোচুরি করে দোকানদারি যা হয় তার থেকে জরিমানার অংশটায় বেশি।
দোকানীরা বলছেন, এই লকডাউনে আমরা তো সরকারের কোনো সহযোগিতা পাচ্ছি না। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালানো মুশকিল হয়ে যাবে, না খেয়ে থাকতে হবে পরিবার নিয়ে।  এদিকে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ঘুরে ক্ষুদ্র পান ও চায়ের দোকান  ব্যবসায়ীদের কয়েক জনের সাথে কথা হলে, তারা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের দোকান দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ থাকায় যেসব পান ও অন্যান্য জিনিস ক্রয় করা ছিল তা নষ্ট হয়ে গেছে এবং আমাদের দোকান খোলার বিষয়ে কোন নিয়ম করা হয়নি।  তাই দোকান খুললে আবার মোবাইল কোর্টের জরিমানা গুনার ভয়ে দোকানো খুলতে পারি না। ক্ষুদ্র এই ব্যবসার বাহিরে কোন আয় রোজগারের রাস্তা না থাকায় আমরা বেকার হয়ে পড়েছি ছেলে সন্তান নিয়ে। সরকারি কোন ক্রাণের সহযোগিতা পাচ্ছি না আমরা। হয় তোবা এভাবে আর কিছুদিন গেলে আমাদেরকে না খেয়েই থাকতে হবে সংসার পরিজন নিয়ে সরকার যদি সাহায্য সহযোগিতা না করে আমাদের মত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কে। তবে  শুনতে পাচ্ছি আরো এক সপ্তাহ লকডাউনের সময় বাড়িয়েছে নাকি সরকার। তাহলে এই রোজার মাসে আমাদের চলা কষ্ট হয়ে গেছে। এমন এই পরিস্থিতিতে সরকারি সাহায্য সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার  ৩৬ হাজার পরিবারকে সাহায্য সহযোগিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন তার বাইরে কিন্তু রাণীশংকৈল উপজেলা নয়। এটি গতবারের ন্যায় এবারও আমরা বন্টন করে দিব অসহায়, ক্ষুদ্র চা দোকান, পান দোকান ও ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের মাঝে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ