1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ১২:৫৩ আজ শুক্রবার, ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি




রানীশংকৈলে করিমন বেওয়ার পানির উৎস্য মসজিদের পানি, ভাগ্যে জোটেনি নলকুপ

  • সংবাদ সময় : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৬৫ বার দেখা হয়েছে
নাজমুল হোসেন, রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:
করিমন বেওয়া।  সহত্তোর বয়সেও হাফ কিলোমিটার দুর থেকে   বালতিতে করে একটি মসজিদের টিউবওয়েল  থেকে পানি এনে সংসার পরিচালনার কাজ সহ যাবতীয় পানির চাদিহার  পাশাপাশি  চলে রান্নার কাজ গোসুল ও নামাজের জন্য অজুও করেন সেই পানি দিয়ে। এযুগেও এরকম দৃশ্য চোখে পড়ে  হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে।এমন খবর পাওয়া গেছে ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার  ১ নং ধর্মগড় ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ঝাড়বাড়ী গ্রামের মৃত ফজিল উদ্দিন এর স্ত্রী করিমন বেওয়া(৭১) তার বাড়িতে গিয়ে জানা যায় করিমন বেওয়ার স্বামী ফজিল উদ্দীন প্রায়  ৪৫ বছর আগে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দুই নাবালক মেয়ে রেখে তবে কোন ছেলে সন্তান নেই মেয়েদের কে বিয়ে দেন অনেক আগেই তখন থেকেই তিনি একা হয়ে পড়েছেন ছেলে সন্তান না থাকায়। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই চলে করিমন বেওয়ার দুর্বিষহ জীবন যাপন।আরো জানাযায়  তিনি  প্রতিদিন একটি বালতিতে করে ঝাড়বাড়ি গ্রামের রাস্তা সংলগ্ন মসজিদ থেকে পানি নিয়ে যায় সেটিও তার বাড়ি থেকে প্রায় কয়েক শত গজ দূর হতে।সেই পানি দিয়েই চলে তার বাড়ির যাবতীয় পানির কাজ কর্ম।দূর থেকে পানি আনার বিষয়ে করিমন বেওয়া কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আমি এই মসজিদ থেকেই অনেক দিন ধরে পানি নিয়ে আসি তারপর গা গোসল,রান্না কাজ,খাওয়া থেকে শুরু করে নামাজের জন্য অজুও করতে হয় এই পানি দিয়ে। কারো টিউবয়েলে আমি পানি আনতে যায় না তাই আমি মসজিদের টিউবওয়েল থেকে পানি নিয়ে আসি। আমি বার বার চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে চেয়েছি কিন্তু আমাকে তারা কোনো ব্যবস্থা করে দেয় নি তারা আরো বলে আমি নাকি ভালো ভাবেই চলি।তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন টাকা দিলে টিউবওয়েল পাবো না হলে পাবনা আমি যদি টাকাই দিতে পারি তাহলে তো আমি নিজেই কিনে নিতে পারি।
করিমন বেওয়ার বাড়িতে গিয়ে আরও দেখা যায় তিনি দুই শতক এর কাছাকাছি একটি জমির উপর খুব ছোট একটা ঘর করেছেন উপরে টিন ও চার পাশে খরের বেড়া দিয়ে তাও আবার প্রায় ভাংচুর অবস্থায় আছে। কিন্তু নেই কোন বিদ্যুতের আলো, নেই কোনো স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট, খাবার পানির টিউবয়েল প্রায় তিনি একটি পরিত্যক্ত  বাড়িতেই বসবাস করছেন বলে ধরা যায়।
পাশের বটতলী বাজারের সাজু ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে যানা যায় করিমন বেওয়া মাঝে মাঝে এই বাজারে আসে সাহায্য নিতে তাই দিয়েই চলে মোটামুটি ভাবে দিনযাপন। করিমন বেওয়া   আরো দুঃখ করে  বলেন এই বয়সে এসে আমি আর কষ্ট করতে পারছি না আমাকে যদি কেউ একটি টিউবয়েলের ব্যবস্থা করে দিত আমি খুব খুশি হইতাম।
এ বিষয়ে ধর্মগড় ইউপির ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুর রশিদের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি তাকে চিনি সে খুব অসহায় ভাবে দিন যাপন করে এবং মানুষের কাছে সাহায্য-সহযোগিতা নিয়েই চলে করিমন বেওয়া।
এ বিষয়ে ১নং ধর্মঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুলের সাথ ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহি অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি জানিনা আপনি জানালেন আমাকে সেই মহিলার তথ্যগুলো দিলে আমি ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করবো।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ