1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সন্ধ্যা ৭:৩৭ আজ সোমবার, ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরি




গাইবান্ধার লক্ষীপুর ইউপি চেয়ারম্যান বাদলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১
  • ১৩৩ বার দেখা হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ল²ীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যসহ ৬জন ইউপি সদস্য। তারা মঙ্গলবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান বাদলের সকল দুর্নীতির প্রতিকার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংরক্ষিত সদস্য শাহানা ইয়াসমিন উল্লেখ করেন, ল²ীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল নারী লোভী, দুর্নীতিবাজ ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎকারী ব্যক্তি। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী নেতার পরিচয়ে কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করছেন। আত্মসাৎকৃত অবৈধ টাকা দিয়েই লেঙ্গাবাজারে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। একজন শিক্ষক হয়েও তিনি ছাত্রীর ধর্ষক। মোস্তাফিজুর রহমান বাদল ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েই এক স্কুল ছাত্রীকে বিভিন্ন প্রলোভনে ধর্ষণ করেন। এব্যাপারে মামলা হলে তিনি পর পর দু’বার জেলহাজতে আটক থাকেন। পরবর্তীতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ধর্ষিতার পরিবারের সাথে আপসরফায় রেহাই পেয়ে যান। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি এক গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে বর্তমানে একটি মামলার (নং ৪৯/৭৬২) আসামি। এ মামলাতেও তিনি জেলহাজত খেটে আদালতের অস্থায়ী জামিনে রয়েছেন। তার এ অপকর্মগুলো মুখবুঝে সহ্য করলেও ইউপির মহিলা সদস্যরা সংশ্লিষ্ট কাজে চেয়ারম্যানের কক্ষে প্রবেশ করতে কুণ্ঠাবোধ করেন ও অনিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। তিনি মহিলা সদস্যদের মিটিংয়ের নামে এককভাবে তার কক্ষে ডাকেন। এতে সাড়া না দিলে তিনি ওই সদস্যকে বিভিন্নভাবে হয়রানির চেষ্টা করেন এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ থেকে বঞ্চিত করেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। এসব অনৈতিক কর্মকান্ডে এলাকার সাধারণ জনগণ ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ায় ভয়ে চেয়ারম্যান পরিষদ কার্যালয়ে না এসে নিজ বাসভবনে বসে সকল কাজ সম্পাদন করছেন। ফলে ভোগান্তি পড়েছেন সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎসহ এলজিএসপি বরাদ্দ থেকে নিজ বাড়িতে সেচ পাম্প স্থাপন করে সুবিধাভোগীদের সুবিধা না দিয়ে চুক্তিভিত্তিক সেচ দিয়ে আসছেন। এতে গরীব অসহায় মানুষের বসবাসের দুর্যোগ সহনীয় ঘর নিজ ভাইকে গৃহহীন দেখিয়ে বরাদ্দ নিয়েছেন। সরকারি বিধিমোতাবেক প্রতিটি উন্নয়ন কাজে নারীর অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হলেও চেয়ারম্যান বাদল বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নারীর প্রাধান্য দেন না। ফলে তারা অনেক ক্ষেত্রেই প্রকল্পের কাজ হতে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। তিনি টাকার বিনিময়ে গুটিকয়েক ইউপি সদস্যকে নিজ নিয়ন্ত্রণে রেখে তাদের নামে বেশিরভাগ প্রকল্পের কাজ বরাদ্দ দেন। তার এসব অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হলেও অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে তার তদন্ত অদ্যাবধিও মিলছে না। এসব বিষয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেও কোন সুফল পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার হওয়ায় তাকে স্থানীয় সরকার বিভাগ সাময়িক বরখাস্ত করে। কিন্তু সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে পুনর্বহালের আদেশ পেয়ে তিনি আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মনোয়ারা বেগম ও শাবানা খাতুন, সাধারণ সদস্য হামিদুল ইসলাম হক খোকা ও গোলাম মোস্তফা।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ