1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ৭:৩২ আজ মঙ্গলবার, ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




তিস্তার চরাঞ্চলে মরিচের চাষ ফলন ও দামে খুশি কৃষকরা

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৬৪ বার দেখা হয়েছে

ফজলুর রহমান,পীরগাছা(রংপুর):
রংপুরের পীরগাছার ছাওলা ও তাম্বুলপুর ইউনিয়নের প্রায় ২০ টি তিস্তার জেগে উঠা বালুচরে চলতি মৌসুমে মরিচের ভাল ফলন দেখা দিয়েছে। মরিচসহ নানাবিধ ফসলে ভরে উঠেছে তিস্তার চরাঞ্চল। তিস্তার কড়াল গ্রাসে ভাঙ্গনের শিকার ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো পুনরায় চরে ফিরে চাষাবাদের দিকে ঝুকে পড়েছে। নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়া জমির ফসল ঘরে তুলতে পেরে খুশি অনেক কৃষকরা।
উপজেলার দুটি ইউনিয়নে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা নদী। প্রতি বছরেই নদী ভাঙ্গনের শিকার হয় তিস্তা নদী কবলিত এলাকার পরিবারগুলো। তবু তারা জীবন জীবিকার তাগিদে তিস্তা কবলিত জেগে উঠা চরে বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলিয়ে আশার আলো জাগায়।

ছাওলা ইউনিয়নের চর ছাওলা, কিশামত ছাওলা, গাবুড়ার চর, শিবদেব চর, চর ছাওলা কামারের হাট,ও তাম্বুলপুর ইউনিয়নের রহমতচর, নামাচর, চর রহমতসহ প্রায় ২০টি জেগে উঠা তিস্তা নদীর চর এখন আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। চরাঞ্চলের হাজারও একর জমিতে এখন চাষাবাদ করা হচ্ছে নানা প্রজাতির ফসল। বিশেষ করে মরিচ, গম, ভুট্টা, আলু, বেগুন, পিঁয়াজ, রসুন, টমেটো, বাদাম, সরিষা, তিল, তিশি, তামাক, কুমড়া ও তরমুজসহ বিভিন্ন শাকসবজি চাষাবাদ করা হচ্ছে।

সরেজমিনে (২৫ জানুয়ারী) শনিবার ছাওলা ইউনিয়নের কিশামত ছাওলা গ্রামের বেল্লাল এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এবারে নিজে ১ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছে। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় ৮ হতে ১০ হাজার টাকা। ফলন ভাল হলে ১৫ হতে ২০ হাজার টাকা মরিচ বিক্রি হয় এক বিঘা জমিতে। দীর্ঘ ৬ মাস ধরে মরিচ তোলা হয়। স্বল্প খরচে অধিক লাভের আশায় চরের কৃষকরা এখন মরিচসহ নানাবিধ তরিতরকারি চাষে ঝুকে পড়েছে।
তিনি আরো বলেন, মরিচের দামও এখন ভাল। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি মরিচ ৫০ হতে ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাওটানাহাট এর ব্যবসায়ী আশরাফ আলী জানান স্থানীয় মরিচের চাহিদা অনেক বেশি। তাছাড়া স্থানীয়ভাবে মরিচ কিনে বিক্রি করলে লাভ বেশি হয়। চরাঞ্চলের জমিতে তরিতরকারির আবাদ এখন ভাল হয়। সে কারণে চরের মানুষ এখন অনেক খুশি।

উপজেলা কৃষি অফিসার শামীমুর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে ১শ ২০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। পলি জমে থাকার কারণে চরের জমি অনেক উর্বর। যার কারণে যে কোন প্রকার ফসলের ফলন ভাল হয়। তিনি বলেন, চরের কৃষকরা নিজে পরিজন নিয়ে জমিতে কাজ করে। সেই কারণে তারা অনেক লাভবান হয়।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ