1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ২:৩১ আজ মঙ্গলবার, ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি




সাবেক কাউন্সিলর শাহীনের পরিবার ও কর্মীরা মিথ্যা মামলা ও হয়রানির শিকার সংবাদ সম্মেলনে প্রকৃত দোষীদের বিচার দাবি

  • সংবাদ সময় : রবিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৫৬ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: নবনির্বাচিত গাইবান্ধা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির স্বপনের ইন্ধনেই গত ১৬ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ শেষে পূর্বকোমরনই এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। কিন্তু কোনো তদন্ত ছাড়াই প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলর ইউনুস আলী শাহীনসহ তার কর্মী-সমর্থক ও অসহায় পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা দায়ের ও পরিবারের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। হয়রানির শিকার ইউনুস আলী শাহীনের পরিবারের পক্ষ থেকে বৃদ্ধা মা মোছা. লাইলী বেগম, মেয়ে শামছুন্নাহার সীমা ও ভাতিজি আফসানা আকতার শান্তা রোববার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শামছুন্নাহার সীমা লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গাইবান্ধা পৌরসভার বিগত নির্বাচনে ইউনুস আলী শাহীন বিপুল ভোটে পরপর দুবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। এবারের পৌর নির্বাচনের আগে থেকেই প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী উঠ পাখি মার্কার হুমায়ুন কবির স্বপন ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা ইউনুস আলী শাহীনকে নানাভাবে হয়রানিসহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছিল। ওই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় পরিকল্পিতভাবে ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোন রকম তদন্ত ছাড়াই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী শাহীনের বেশ কয়েকজন নিকট আত্মীয়কে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় শাহীনসহ তার কর্মী-সমর্থক ও পরিবারের সদস্যদের নাম উল্লেখ করে পুলিশ ও র‌্যাব পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। এতে এজাহারনামীয় ৪১ জনসহ অজ্ঞাতনামা প্রায় দেড় শতাধিক মানুষকে আসামি করায় এলাকার নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। মামলার পর ওই এলাকা এখন প্রায় পুরুষ শূন্য।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, র‌্যাবের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রকৃত অপরাধীদের নামের তালিকাসহ পূর্ণ বিবরণ লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও তার প্রতিকার পাওয়া যায়নি।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ