1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৫:০৪ আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




ফুলছড়িতে বন্যায় বিধস্ত ব্রিজ ব্যক্তি উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০
  • ১০০ বার দেখা হয়েছে

ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বন্যায় ধ্বসে যাওয়া পাবমারী ব্রিজের স্থানে নির্মিত বাঁশের সাঁকো ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংস্কার করে লোকজনের চলাচলের ব্যবস্থা করলেন সমাজসেবক শহিদুল ইসলাম। দুই বছর আগে ব্রিজটি ধ্বসে যাওয়ার পর তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাঁকোটি নির্মাণ করে দেন। এরপর সেটি সংস্কার না করায় নড়বড়ে হয়ে পড়ে। এদিকে এলজিইডি’র পক্ষ থেকে বন্যায় বিধস্ত ব্রিজটি পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ না নেয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২০১৯ সালের ভয়াবহ বন্যায় গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কাতলামীসহ ৩৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ও ফুলছড়ি উপজেলা সদর থেকে গুণভরি রাস্তায় পাবমারী ব্রিজটি বিধ্বস্ত হয়ে ভেঙে যায়। ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যয়ের মুখে হয়ে পড়ে। বন্যায় বিধ্বস্ত গুণভরি রাস্তায় পাবমারী ব্রিজটি গত দু’বছরেও পুর্ননির্মাণ করা হয়নি। ফলে ওই পথে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ যায়। পরবর্তীতে এলজিইডির পক্ষ থেকে ব্রিজটি পুর্ননির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ব্রিজটি সংস্কারে কেউ এগিয়ে না আসায় সমাজসেবক শহিদুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাবমারী ব্রিজের স্থানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে অস্থায়ী ভিত্তিতে মানুষ এবং মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য হালকা যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করেন। এরপর সেটিও আর কেউ সংস্কার না করায় নড়বড়ে হয়ে পড়ে। ফলে ওইসব এলাকার উৎপাদিত কৃষি পণ্য বেচাকেনায় চরম দুর্ভোগের মুখে পড়ছে স্থানীয় কৃষকরা। পথচারী লোকজনের চলাচলেও চরম দুর্ভোগ দেখা দেয়। এলাকাবাসীর উদাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে একাধিকবার সাঁকোটি সংস্কারের অনুরোধ জানানোর পরেও তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। পরিস্থিতি বিবেচনায় সমাজসেবক শহিদুল ইসলাম তার নিজ অর্থায়নে বুধবার সকালে আবারও সাঁকোটি সংস্কার করে দেন।
পূর্ব ছালুয়া গ্রামের বাসিন্দা মিলু আহমেদ জানান, ব্রিজটি দুই বছর থেকে ভেঙে পড়ে আছে, এলজিইডি’র পক্ষ থেকে পুনঃনির্মাণের কোনো উদ্যোগ গ্রহন করা হয়নি। ইতোমধ্যে মোটরসাইকেল চালকসহ বেশ কয়েকজন পথচারী বাঁশের সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। কবে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন সেটা কেউ বলতে পারছেন না। তিনি ব্রিজটি দ্রæত নির্মাণের দাবি জানান।
সমাজসেবক শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করে দেওয়ার পর কেউ মেরামত না করায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে আবারও মেরামত করে সাময়িক চলাচলের ব্যবস্থা করে দিলাম। তিনি বলেন, ব্রিজটি পুনঃনির্মাণ না করা পর্যন্ত এলাকাবাসীর দুর্ভোগ কমবে না।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ