1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১:৪৬ আজ বৃহস্পতিবার, ৫ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




বন্যায় ভাঙন সড়কে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করলো গ্রামবাসী

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০৮ বার দেখা হয়েছে

তোফায়েল হোসেন জাকির, গাইবান্ধা সংবাদদাতা:
গেল বন্যায় গাইবান্ধার জামালপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর-চিকনীর বিল এলাকায় ভেঙেছে কাঁচা সড়ক। ফলে চলাচলে দুর্ভোগে পড়ে সহ¯্রাধিক মানুষ। এটি থেকে রেহাই পেতে গ্রামবাসীর অর্থায়ণে নির্মাণ করা হয়েছে বাঁশের সাঁকো।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) গাইবান্ধার চাঁদ করিম থেকে দুর্গাপুর মÐলপাড়া ঘেসে এনায়েতপুর বাজার পর্যন্ত এ সড়কের চিকনীর বিল নামকস্থানে বাঁশের সাঁকোটি স্থানীয় যুবলীগের উদ্যোগে ও গ্রামবাসীর অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়।
জানা যায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে বয়ে যাওয়া বন্যায় জামালপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পাকা-কাঁচা সড়কের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জামালপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর-চিকনীর বিল নামকস্থানে একটি ব্রিজ থাকলেও, বন্যা চলাকালীন সময়ে সেটি দিয়ে পানি প্রবাহের বাঁধাগ্রস্ত হয়। অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধিতে ব্রিজটির পাশে প্রায় ৩০ ফুট সড়ক ভেঙে যায়। এতে করে জেলা-উপজেলা শহরের সঙ্গে দুর্গাপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের সহ¯্রাধিক মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতাবস্থায় ভেঙে যাওয়া স্থানটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্টকে জানানো হলেও কোনো ধরণের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি বলে ভুক্তভোগি জনগণের অভিযোগ।
স্থানীয় যুবলীগ নেতা রাসেল মÐল বলেন, গেল বন্যায় দুর্গাপুর-চিকনীর বিল নামস্থানে সড়ক ভেঙে যাওয়ায় চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। ফলে এলাকাবাসীর অর্থায়নে ভাঙনস্থানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।
দুর্গাপুর কাদেরিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মোসলেম আলী বলেন, ওই স্থানে ভেঙে যাওয়ার ফলে অত্রালাকার শিক্ষার্থীরা চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলো। দায়িত্বশীলদের হেয়ালীপনা থাকায় স্থানীয়দের উদ্যোগে সাঁকো তৈরী করায় তাদেরকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।
উপজেলা প্রকৌশলী এ.এইচ.এম কামরুল হাসান রনী বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কারের জন্য চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রæত কাজ শুরু করা হবে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ