1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১২:০৮ আজ সোমবার, ১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




গাইবান্ধায় নদী ভাঙনে বিলীনের পথে গজারিয়া ঝানঝাইড় মাদরাসা

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৮০ বার দেখা হয়েছে

তোফায়েল হোসেন জাকির : গাইবান্ধার বিভিন্ন স্থানে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলিনের পথে ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়ার গলনা চরের ঝানঝাইড় আত তাওহীদ আস-সালাফিয়া মাদরাসাটি।
জানা যায়, চরাঞ্চলে ধর্মীয় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৩ সালে শফিকুল ইসলাম (আবু সামাদ) এর উদ্যোগে ও ড. সাইফুল্লাহ মাদানী’র আর্থিক সহযোগীতায় মাদরাসাটি স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সাহায্য-সহযোগীতায় শিক্ষা কার্যক্রম এলাকার শিক্ষার্থীসহ পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহের শিক্ষার্থীদের মাঝে বহুমুখী শিক্ষার গুণগত মানের বিস্তার ঘটায় ক্রমান্বয়ে শিক্ষার্থী বাড়তে থাকে। বর্তমানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। মাদরাসাটিতে।
সম্প্রতি যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ক্রমান্বয়ে মাদরাসার দিকে এগিয়ে আসে। এতে করে নদীগর্ভে বিলীনের উপক্রম হওয়ায় মাদরাসাটি ভেঙে আসবাবপত্র ও টিনের চালাগুলো খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়। ফলে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল।
বর্তমানে মাদরাসা মাঠে স্তুপ করে রাখা মালপত্র জরুরী ভিত্তিতে অন্যত্র সরানো এবং নতুন জায়গায় মাদরাসাটি স্থানান্তর নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধিমহল উদ্বিগ্ন হলেও, আর্থিক সংকটে নতুন জায়গা কিনে মাদরাসা স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। অতি জরুরী ভিত্তিতে স্তুপ করে রাখা বাঁশ, কাঠ, টিন, চেয়ার-টেবিল, ইট ও কংক্রিটের খুটি অন্যত্র সরানো না হলে নদীগর্ভে বিলীন গতে পারে ওইসব মালামালগুলো।
শিক্ষার্থী ওবাইদুল্লাহ বলেন, বর্তমানে মাদরাসাটি অন্যত্র পূনঃস্থাপন করে শিক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাই।
অভিভাবক রফিকুল ইসলাম বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের লেখাপড়ার গুণগত মান ভালো জেনেই কুড়িগ্রাম থেকে আমার মেয়েকে এখানে ভর্তি করাই। দুঃখের বিষয় সর্বগ্রাসী যমুনার ভাঙনে মাদরাসাটি বিলিনের পথে। মাদরাসাটির দুর্দশার কারণ দেখে নিজেই স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছি।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম (আবু সামাদ) বলেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তাায় পড়েছি। আর্থিক সংকট নিরসনসহ প্রতিষ্ঠানটি অন্যত্র পূনঃস্থাপন করতে সমাজের বিত্তবানসহ সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।
ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ বলেন, অনেক আগে উক্ত প্রতষ্ঠান পরিদর্শন করেছিলাম। ইতোমধ্যে নদী ভাঙনের কবলে, এটি আমি অবগত না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ