1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ৮:৩৬ আজ শনিবার, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২রা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি




প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম ও হোমিও চিকিৎসা

  • সংবাদ সময় : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৮৫৫ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বে প্রতিনিয়ত অসংখ্য শিশু প্রতিবন্ধী রূপে জন্ম নিচ্ছে। পরিবারে মা-বাবার সন্তান প্রতিবন্ধী হলে পরিবার, সমাজ বাকা চোখে দেখে, আবার সামাজিকভাবে অনেকেই পাপের ফল হিসাবে ব্যঙ্গও করে থাকেন। মুলতঃ শিক্ষা ও জ্ঞানের অভাবের প্রতিবন্ধী শিশু ওই পরিবারের পাপের ফল তা বলতে চান। তবে, বেশিরভাগ মানুষ এখন এটি বুঝতে পারেন কেন একজন শিশু প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেয়। আবার যে পরিবারে প্রতিবন্ধী শিশু সে পরিবারটিকে নিয়ে প্রতিবেশিরা নানাভাবে আলোচনা সমালোচনা করেন।
প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম ও চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে সামাজিক, পারিবারিক সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে। তবে, আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। বাংলাদেশে জন্ম নেয়া ভারতীয় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক শ্যামল কুমার দাস বলেছেন প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম পাপের ফল নয় বংশীয় কিছু রোগ ও কিছু ঘটনা এর জন্য দায়ী। রোগ ক্লীষ্ট মানব জাতিকে তার পূর্বস্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনার চিকিৎসা পদ্ধতি হোমিওপ্যাথি আবিষ্কারক মহাত্মা ডাক্তার হ্যানিম্যান তার গবেষনাও চিৎিসা পদ্ধতিতে দেখেছেন রোগ হয় মুলত তিনটি কারনে সোরা,সিফিলিস,সাইকোসিস। এই কারণগুলোর নাম দিলেন মায়াজম। এই ত্রিমায়াজমই সকল রোগ উৎপত্তির অন্যতম কারন এবং ত্রিমায়াজমের বিষ হতেই সকল রোগ সূত্র হয়।
পরবর্তীতে কেন্টসহ বিভিন্ন চিকিৎসকগণ দেখলেন সোরা, সিফিলিস ইত্যাদি মিলে নতুন একটি মায়াজম তৈরি হয় তার নাম দিলেন টিউবারকুলার মায়াজম বা টি.ডি.এস বা টিউবারসার্কুলার ডিয়াথিসিস-এই টিউবার কুলার মায়াজম সকল ক্ষয় জাতীয় রোগের জন্য দায়ী। বর্তমান সময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক শ্যামল কুমার দাস দেখলেন যে ঐ চারটি মায়াজমের সাথে আরও দুটি মায়াজমের ে আর কোন রোগ যন্ত্রণা থাকবে না আর ঔষধ খেতে হবে না, নীতিবোধ জাগ্রত হবে। বর্তমানে একটি মানুষ ও প্রকৃত সুস্থ পাওয়া যাবে না। রাগ উৎপত্তিতে প্রবল ভ‚মিকা রয়েছে এবং রোগ আরোগ্যের পথে মারাত্মকভাবে বাধা দিয়ে থাকে যাতে রোগ আরোগ্য হতে না পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে-সুস্থ সেই যে সার্বিক সুস্থ ও সুন্দর অর্থাৎ সুস্থ হবার পর ঔষধ খাচ্ছে ভাল থাকছে আবার সমস্যা দেখা দিচ্ছে বা নতুন একটা সমস্যা হচ্ছে প্রকৃত সুস্থ হচ্ছে না। একটা রোগ ভাল হচ্ছে নতুন আরও একটি রোগ আগের রোগটি থেকে আরো একটু জটিল হয়ে দেখা দিচ্ছে । যেমনঃ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকছে কিন্তু দীর্ঘ দিন ঔষধ সেবনের ফলে বা দীর্ঘ দিন ডায়াবেটিস থাকার ফলে চোখের ক্ষমতা কমছে আদিম বাসনা যৌন শক্তি কমছে, কিডনী দূর্বল হচ্ছে বলা যায় রোগ কমছেনা-বরং বাড়ছে, কেন এমন হচ্ছে। তাহলে আমরা বলতে পারি মায়াজমগুলোই প্রকৃত পক্ষে আরোগ্য হতে দিচ্ছে না। মহাত্¥া হ্যানিম্যানের তিনটি মায়াজম পরবর্তী কেন্টের একটি শ্যামল কুমার দাস এর দুটি মায়াজম রোগ উৎপত্তিতে ও আরোগ্যর পথে বাধা। শ্যামল কুমার দাস তার আবিষ্কৃত এই দুইটির মায়াজমের নাম দিলেন পিটিএস ও পিআরএস। পিটিএস হলো: নিবির্চারে ঔষধ সেবন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ মানসিক ও শারীরিক আঘাত,অতি খাদ্য ও কুখাদ্য গ্রহণ, পুষ্টির অভাব রাসায়নিক প্রভাব প্রভুতি রোগ তৈরিতে ভ‚মিকা আছে এবং রোগ আরোগ্যের অন্তরায়। যেমন ঃ মা গর্ভাকালীন প্রচন্ড মানসিক আঘাত প্রাপ্ত ছিলেন সন্তান অসুস্থ বা অটিজম হতে পারে। আমরা জানি ঃ মানুষের অস্বাভাবিকা মায়ের অশান্তি (গর্ভাবস্থায়) অর্থাৎ সমানুপাতিক। এই সমস্ত ঘটনা প্রবাহের নাম দিলেন পিটিএস বা পোস্ট ট্রোমা সিনড্রম। অপর দিকে, বিভিন্ন প্রাণীর বিষ, যা আমরা দংশন বা আচড় বা প্রানীর মুখ দেয়া খাদ্য গ্রহণের দ্বারা প্রাপ্ত হই। এই প্রাণীর বিষ বংশানুক্রমে চলতেই থাকে তা যত ভ্যাকনিস নেয়াই হোক না কেন। ভ্যাকনিস নিলে ঐ রোগীর জলাতংক হতে মুক্ত থাকে ঠিকই কিন্তু তার প্রভাব প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম চলতেই থাকবে। তাই ্এর নাম দিলেন পিআরএস বাব া পোস্ট রাবিস সিনড্রম। এই মায়াজমগুলো বিশেষ করে পিটিএস, পিআরএস, টিডিএস মায়াজম আজকের প্রতিবন্ধী,অটিজম, অটিষ্টিক শিশু জন্মের জন্য দায়ী।
এদিকে, বর্তমান প্রজন্মের তরুনদের একটি বৃহত্তর অংশ নানা ধরণের নেশায় আক্রান্ত তার জন্য এই তিনটির মায়জমে ভূমিকা অত্যাধিক। নেশায় আক্রান্ত তরুনদের আমরা অটিজম ভাবতে পারি কেননা এদের স্বাভাবিক বোধবুদ্ধি নেই, ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা নেই তাই ্এরা নেশা করে। আমরা যদি একটু গভীরভাবে দর্শন বিজ্ঞান মেনে প্রতিবন্ধিদের জীবন দর্শন খুজি তাহলে দেখতে পাবো এই সমস্ত শিশু জন্ম নিয়েই নানাবিধ জটিলতা থাকে। যেমন ঃ হার্ট সমস্যা, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা, প্রসাব পায়খানার সমস্যা, কীডনীর সমস্যা ইত্যাদি। জন্মের সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে, আসিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। হয়তবা জন্ম নিয়ে কাদেনাই আবার কান্না করলে সহজে চুপ হতো না বা প্রচন্ড শান্ত বা প্রচন্ড রাগ নিয়ে জন্মেছে। শান্ত হলে এমন শান্ত এতো ঘুমায় যে মা মাঝে মধ্যে নাক ও পেট দেখেন মারা গেল কিনা, এরা বিছানায় প্রসাব পায়খানা করে তার মধ্যে ঘুমায়। অপরদিকে, রাগ হলে প্রচন্ড রাগ যেমন একদিনের শিশু মা দুধ দিতে একটু দেরি হয়েছে আর দুধ নিবে না তখন শুধুমাত্র আদর সোহাগ দিলেই হয় না হাত ধরি পা ধরি বলতে হয়। এই শিশুগুলো গর্ভকালীন মা স্বাভাবিক ছিলেন না যেমনঃ অস্বাভাবিক বমি হতো মাঝে মধ্যে রক্ত¯্রাব হতো অত্যাধিক মানসিক দুশ্চিন্তা, কখনো বা এই নবজাতককে নষ্ট করার চিন্তা বা সেই অনুযায়ী চেষ্টা করা ইত্যাদি। এই সমস্ত মায়ের প্রথম মাসিক স্বাভাবিক ছিলনা। যেমন মাসিকে প্রচন্ড ব্যাথা, কম বা অধিক বয়সে মাসিক শুরু,অতিরিক্ত মাসিক ¯্রাব ইত্যাদি। আর একটু যদি দেখি তাহলে দেখতে পাবো এই শিশুর বাবা, মা এবং বাবা-মা এর বাবা মা, দাদা, দাদী, নানা, নানী কারো না কারো যক্ষা ছিলো কাউকে না কাউকে কোন প্রাণী দংশন করেছে বা আচড় দিয়েছে। বা এ সংক্রান্ত ভ্যাকসিন দেয়া আছে হ্যানিম্যানের তিনটি মায়াজম আছে কোথাও পিটিএস আছে তার ফল স্বরূপ আজকের প্রতিবন্ধী শিশু, অটিস্টিক অটিজম শিশু। আজ তরুন সমাজ নেশায় আক্রান্ত। ইতিহাসেপিআরএস, টিডিএস, পিটিএস আছে বলেই এই বিশেষ শিশুর জন্ম হয়। এই ইতিহাস না থাকলে এরকম বিশেষ শিশুর জন্ম হতো না। তাই এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুগুলোর রিয়েল হোমিওপ্যাথিক নীতি মেনে চিকিৎসা হলে একটি স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে-তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তরুণ সমাজ নেশা মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ, রিয়েল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার নিয়মে। আমারও স্বপ্ন ও অঙ্গীকার প্রতিবন্ধী মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার। (চলবে)

ডাঃ মোঃ লুৎফর রহমান
ডি.এইচ.এম.এস (বি.এইচ.বি.ঢাকা)
সভাপতি: হোপেস, গাইবান্ধা শাখা
প্রধান আলোচক, হোমিওপ্যাথি প্র্যাকটিশনার্স এসোসিয়েশন, গাইবান্ধা।
ফোনঃ ০১৭১৮-৬৫৯৯৩০

চেম্বার:
আর.ওয়াই.হোমিও রিসার্স সেন্টার
সাঘাটা বাজার,থানা রোড (কালিমন্দির সংলগ্ন) সাঘাটা, গাইবান্ধা।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ