1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ২:১৭ আজ বৃহস্পতিবার, ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙন বৃদ্ধি

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০
  • ২৭৪ বার দেখা হয়েছে

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বন্যার পানি কমতে শুরু করায় তিস্তায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। টানা ভাঙনে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর পুটিমারী, ভাটি কাপাসিয়া, বাদামের চর, মাদারিপাড়া ও লালচামার গ্রামে এক হাজর একর ফসলি জমি ও সহ¯্রাধিক বসত বাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে কয়েক হাজার একর ফসলি জমি ও বসতবাড়ি। ভাঙন কবলিত পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে। বন্যার পাশাপাশি ভাঙন অব্যাহত থাকায় নাকাল হয়েছে তিস্তা পাড়ের মানুষজন। উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর,  শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার নদীর বিভিন্ন চরে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। পানি কমতে শুরু করায় নদীতে তীব্র ¯্রােত দেখা দিয়েছে। স্্েরাতের কারনে ভাঙনের ফলে তিস্তার বালু চরের সবুজের সমারহ ও বসতবাড়ি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। বর্তমানে তিস্তার চরাঞ্চলে বেগুন, মরিচ, পটল, করলা, শশা, তোষাপাটসহ নানাবিধ ফসলের সমাহার ছিল। কিন্তু সর্বনাশা তিস্তার ভাঙনে এবং বন্যার কারনে সেসব ফসল ঘরে তোলা সম্ভব হল না। কথা কাপাসিয়া ইউপি সদস্য মমিনুল ইসলাম এর সাথে তিনি জানান, তার ওয়ার্ডে ১শত ৫০টি পরিবার নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত পরিবার গুলো অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছে। তিনি বলেন তিস্তার ভাঙনে চরাঞ্চলবাসি দিশেহারা হয়ে পড়েছে। অথচ দীর্ঘদিন থেকে দফায় দফায় নদী ভাঙন চলছে। যার কারনে শ্রীপুর ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। চরের মানুষ তরিতরকারির আবাদ করে সংসার চালায়। কিন্তু নদী ভাঙন এবং বন্যার কারনে কৃষকরা মাথায় হাত দিয়ে বসেছে। তিনি আরও বলেন তার দুই বিঘা জমির তোষাপাট ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়া এক বিঘা জমির বেগুন ক্ষেতের প্রায় বেশিভাগ নদীতে বিলিন হওয়ার পথে। হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, পলি জমে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে, সে কারনে সামান্য পানিবৃদ্ধি পেলে নিচু এলাকা প্লাবিত হয় এবং সারা বছর নদী ভাঙন অব্যাহত থাকে। নদী ভাঙন ঠেকাতে হলে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জানান, নদী ভাঙনের কারনে এক হাজার একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন এবং বর্ষ্যার কারনে অনেক জমির তোষাপাট ক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে। উপজেলা নিবার্হী অফিসার কাজী লুতফুল হাসান জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মোতাবেক উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে পানি কমতে শুরু করেছে , তবে বেশ কয়েকটি স্থানে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোডের নিবার্হী পরিচালক মোখলেছুর রহমান জানান, নদীভাঙন রোধ একটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা দরকার। নদী সংরক্ষণের ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ