1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৪:২৬ আজ বৃহস্পতিবার, ২৫শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৯ই জুলাই, ২০২০ ইং, ১৮ই জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী




সাদুল্যাপুরে ফিরিয়ে দেয়া প্রসুতি মা’র হাসপাতাল গেটে সন্তান প্রসব!

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০
  • ১২৬ বার দেখা হয়েছে

সাদুল্যাপুর প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সাদুল্যাপুর উপজেলায় রাশেদা বেগম (৩৫) নামে এক প্রসুতিকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি না করে ফিরিয়ে দেয়ায় ওই হাসপাতালের প্রধান গেটের পাশেই সন্তান প্রসব করেছে। ঈদের দিন সোমবার রাত ৮টায় এই ঘটনা ঘটে। রাশেদা বেগম সাদুল্যাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা বাঁধের মাথা গ্রামের দরিদ্র বাদশা মিয়ার স্ত্রী।
ওই প্রসুতির স্বামী বাদশা মিয়া জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় রাশেদা বেগমের প্রসব বেদনা ওঠে। তখন তাকে একটি ব্যাটারি চালিত রিক্সা ভ্যানযোগে সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ সময় সেখানে দায়িত্বরত সেবিকা বাসনা রাণী কোন পরীক্ষা না করেই তাকে গাইবান্ধায় নিয়ে যেতে বলে। তারপরও বাসনা রাণীকে প্রসুতিকে ভর্তি করে নেয়ার জন্য একাধিকবার অনুরোধ করে। কিন্তু সে কোন কর্ণপাত করেননি। পরে নিরুপায় হয়ে গাইবান্ধায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রিক্সাভ্যানযোগে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে। এসময় রাশেদা বেগম ব্যথায় চিৎকার করতে থাকলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল গেটের পাশেই একটি ফুটফুটে নবজাতক (ছেলে) প্রসব করে।
ওই সময় সাদুল্লাপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মিঠুন কুমার বর্মণ বলেন, মহিলা রোগী হওয়ায় আমি তাকে দেখি নাই। কর্তব্যরত সেবিকা বাসনা রাণী ও আয়া শিল্পী রাণী ওই রোগীকে দেখেন। কিন্তু রোগীর অবস্থা খারাপ থাকায় তাকে তিনি গাইবান্ধায় রেফার্ড করেন।
কর্তব্যরত সেবিকা বাসনা রাণী জানান, ওই প্রসুতি মা’র সন্তান প্রসবের জন্য বাড়ীতেও চেষ্টা করা হয়েছিল। ফলে রোগীর অবস্থা খারাপ ছিল। এই জন্য তাকে গাইবান্ধা রেফার্ড করা হয়েছে। এদিকে পরে খবর নিয়ে জানা যায়, শিল্পী রাণী এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত। তারপর সে আয়া হিসাবে দায়িত্বপালন করে। সাদুল্যাপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা মোঃ শাহিনুল ইসলাম মন্ডল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দায়িত্বরত চিকিৎসক ও সেবিকার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গাইবান্ধা সরকারী মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে গত ৬ এপ্রিল এরকম একটি ঘটনা ঘটে। ওখানে দায়িত্বরত পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা রোগী ( প্রসুতি মা) ভর্তি করে না নেয়ায় গাইবান্ধা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে মাত্র ২০০ গজ দুরে শহরের মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে ওই ইজিবাইকের ভিতরেই একটি ফুটফুটে নবজাতক (ছেলে) প্রসব করেন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ