1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১:৪৪ আজ সোমবার, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি




৩১ মে থেকে খুলছে অফিস-আদালত, ১৬ জুন পর্যন্ত বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গণপরিবহন

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ২৭ মে, ২০২০
  • ১৮০ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন: সাধারণ ছুটি না বাড়লেও বয়স্ক ও গর্ভবতী নারীরা অফিসে যাবেন না। চলবে না গণপরিবহনও। বুধবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমন তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তবে স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকবে ১৫ জুন পর্যন্ত আপাতত। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রী সই করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। ফরহাদ হোসেন বলেন, ১৫ জুন পর্যন্ত গণপরিবহন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তিনি বলেন, ৩১ মে থেকে সাধারণ ছুটি আর বাড়ানো হবে না। তবে ১৫ জুন পর্যন্ত সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। তিনি জানান, সাধারণ ছুটি না বাড়লেও ১৫ জুন পর্যন্ত গণপরিবহন ও সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

বৈশ্বিক মহামারীর সংক্রমণ ঠেকাতে বাংলাদেশে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি চলছে। সাত দফা বাড়িয়ে এই ছুটি শেষ হচ্ছে ৩০ মে।

সাধারণ ছুটির সময় গণপরিবহন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সব ধরণের অফিস আদালত বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবা সীমিতভাবে ব্যাংকসহ কিছু অফিস খোলা ছিল। পরবর্তীতে কিছু সরকারি দফতর ও গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গণপরিবহন, নৌযান ও রেল চলাচল বন্ধ থাকবে। ব্যক্তিগত পরিবহন চলবে। ‘কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য কোনও অফিস সীমিত আকারে পরিবহন চালু করবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবে। নিজ ব্যবস্থায় বিমান চালাচল করতে পারবে। সভা-সমাবেশ গণজমায়েত বন্ধ থাকবে।’ আগের ছুটির ধারাবাহিকতায় গত ১৪ মে এক আদেশে ১৭ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত নতুন করে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ২১ মে শবে কদর, ২২, ২৩, ২৯ ও ৩০ মের সাপ্তাহিক ছুটি এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ মে ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটিও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। পাশাপাশি সবাইকে যার যার বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেয়া হলে বিশ্বের আরও অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষও ঘরবন্দি দশার মধ্যে পড়ে। এরপর সেই ছুটির মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়িয়ে ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়। তবে এর মধ্যে কিছু বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হয়। তাতে লকডাউন এবং ঘরের বাইরে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরার নিয়ম অনেকটাই কার্যকারিতা হারায়। দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ১৭ মার্চ থেকেই বন্ধ রাখা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে নির্ধারিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত হয়ে গেছে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ