1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ৩:৪৬ আজ বৃহস্পতিবার, ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




রোদ-বৃষ্টিতে কদর বাড়ে রজ্জবের

  • সংবাদ সময় : রবিবার, ২৪ মে, ২০২০
  • ১২১ বার দেখা হয়েছে

তোফায়েল হোসেন জাকির, স্টাফ রিপোর্টার: প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গাইবান্ধার গ্রামাঞ্চল থেকে বেশ কিছু জিনিসের বিলুপ্তি ঘটলেও, বিলুপ্তি হয়নি  ছাতা। এখানো গ্রীষ্মের সুর্যের তাপ থেকে রক্ষায় কিংবা ও বর্ষা বৃষ্টিতে ছাতা যেন সবশ্রেণিপেশা মানুষের নিত্যসঙ্গী। তাইতো কোন উৎসবে না, রোদ-বৃষ্টির দিনে কদর বাড়ে রজ্জব আলী নামের এক ছাতা মেরামকারী কারিগরের।

শনিবার (২৩ মে) বিকেলে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নাগবাড়ী বাজারে পুরাতন ছাতা মেরামত করার ব্যস্ততা দেখা যায় রজ্জব আলীকে। এ সময় সূঁই- ‍সুতা আর হাতুড়ী দিয়ে আপন খেয়ালে কাজ করছিলেন তিনি।

জানা যায়, ওই ছাতা কারিগর রজ্জব আলী উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের আরাজী জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা। বাপ-দাদার এ পেশাকে আজও আকড়ে ধরে আছেন তিনি। গ্রীষ্মের প্রখর রোদ আর বর্ষার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির দিনে ছাতা মেরামতের কাজ করে থাকেন। এসময়টা মানুষের কাছে রজ্জব আলীর কদর অনেক বেশী। দিনরাত দম ফেলানোর সময় থাকে না তার। সকাল হলেই বাইসাইকেলের প্যাডেল চালিয়ে গ্রামে গ্রামে যান ছাতা মেরামত করতে। আবার বিকেল হলেই বসেন বিভিন্ন হাট-বাজারে। এসব জায়গা ছাতার মেরামত কাজে ব্যস্ততা তার। শুধু মেরামতই নয়, নতুন ছাতা নতুন তৈরী করেও বিক্রি করা হয়। এভাবে দৈনন্দিন প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করেন রজ্জব আলী। এ দিয়েই সংসার চলে তার।

ছাতা মেরামত করতে আসা ছায়রুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি-বাদল শুরু হয়েছে। এখন ছাতা নিত্যপ্রয়োজনীয় আমার। গত বছরের ব্যবহৃত ছাতাটি অকেজো হয়ে পড়েছে। তাই রজ্জব আলীর কাছে মেরামত করতে আসছি।

ছাতার কারিগর রজ্জব আলী বলেন, বছরজুড়ে গ্রামাঞ্চলে ছাতা মেরামতের কাজ করা হয়। তবে গ্রীষ্ম আর বর্ষা মৌসুমি এ কাজটি চলে বেশী। এর আয় দিয়েই পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করে আসছি।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ