1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ৩:৪০ আজ রবিবার, ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২রা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি




গ্রীস্মের ভরা যৌবনে রক্তিম রূপে সেঁজেছে কৃষ্ণচূড়া

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২০
  • ২৫৭ বার দেখা হয়েছে

তোফায়েল হোসেন জাকির:

শুধু শহর নয় গ্রাম-গ্রামান্তরেও শোভা পায় রক্তলাল কৃষ্ণচূড়া। এজন্য এই ফুল ধূসর নগর ও গ্রামের ভাঁজে ভাঁজে এখন ডানা মেলেছে রক্তলাল কৃষ্ণচূড়া।

গ্রাম ও শহরে জারুল, সোনালু, কণকচূড়া, রাঁধাচূড়া ফুলের দেখা মেলে গ্রীষ্ম এলেই। তবে কংক্রিটের ছাই রঙের পথকে  রূপসী করে তুলতে কৃষ্ণচূড়ার অবদানই সবচেয়ে দৃশ্যমান।   এই ফুল নিয়ে তাই নাগরিক-আহ্লাদটাও বেশি। আর দিন পনেরো ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর পাতা খুললেও চোখে পড়ছে এই আগুনরঙা ছবি।নিজের প্রিয় ফুল নিয়ে বলতে গিয়ে উন্নয়ন কর্মী ও সাংবাদিক আফতাব হোসেন বলেন, কৃষ্ণচূড়া শুধু ডালেই নয়, কৃষ্ণচূড়ার আগুনে রং শোভা পায় গাছের নিচেও। ঝরা ফুলের সে সৌন্দর্য দেখার আসল সময় ভোরবেলা। তবে সারাটা দিনও এই ফুল তার রক্তিম ভালোবাসায় রাঙিয়ে রাখে পুরো শহরকে। তাইতো সেদিকে তাকালেই মন ভরে ওঠে।এই আবেগ-ভালোবাসার কৃষ্ণচূড়া কিন্তু বাংলা মুলুকে এসেছে মাত্র ৩শ বছর আগে। আর কৃষ্ণচূড়ার ‘কৃষ্ণচূড়া’ হয়ে ওঠার একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায় নিসর্গ লেখক আমিরুল আলম খানের ‘পারুলের সন্ধানে’ বইটিতে। তার মতে, ‘১৭ শতকের এক রাজকবি দেবতা কৃষ্ণের মাথার চূড়ার বর্ণনা রক্তবর্ণ এই ফুলের সঙ্গে তুলনা করেছেন। কোনো কাব্যরসিক হয়তো সেই বর্ণনা থেকেই এই ফুলের নাম রেখেছেন কৃষ্ণচূড়া।’

ঋতুর নায়ক হচ্ছে গ্রীষ্মকাল। চলতি এই ঋতুর উত্তপ্ত ভরা যৌবনে নানা রঙে সেজেছে গ্রামবাংলার প্রকৃতি। আম, কাঁঠাল লিচু, লেবুসহ নানা জাতের গাছে ফুটে উঠেছে বাহারি রঙের ফুল ও ফল।

সেই সঙ্গে গ্রীষ্মের তপ্ত রোদে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের পথের ধারে রক্তিম রঙে সেজে উঠেছে ‘কৃষ্ণচূড়া’। এ গাছের রক্তলাল থোকা থোকা ফুলগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যাচ্ছে পথিকদের মনে।

বুধবার (১৩ মে) সকালে গাইবান্ধা-মাদারগঞ্জ সড়কের সাদুল্লাপুরের তরফ বাজিত এলাকার মোন্নাফ মিয়ার বাড়ির সংলগ্ন স্থানে দেখা মিলল ফুটন্ত কৃষ্ণচূড়া গাছের।

অর্ধশতবর্ষী গাছটির সবুজ পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে থোকা থোকা রক্তিম ফুল। রোদ্রজ্জ্বল সকালে মৃদু বাতাসে বেশ কিছু ফুল ঝড়ে পড়তেও দেখা গেল মাটিতে। কেউ কেউ শখের বশে সেই ফুল কুড়িয়ে নিচ্ছেন।

এসময় জেসমিন আক্তার জুঁই নামের এক কলেজছাত্রী বলেন, গাইবান্ধা-মাদারগঞ্জ সড়কে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করি। সম্প্রতি কৃষ্ণচূড়া ওই গাছটির দিকে তাকালে মনে হয় যেন, নতুন রূপে সাজিয়ে রয়েছে নববধু।

তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মেরে এই দাবদাহে থোকা থোকা ফুলগুলোর দিকে তাকালে খানিকটা প্রাণ জুড়িয়ে আসে। এমন ফুটন্ত কৃষ্ণচূড়ার রূপ আমাকে বিমোহিত করে ফেলে। যেন এ পথের পথিক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকি।

আরেক কলেজছাত্র তৌফিকুর রহমান বলেন, এই কৃষ্ণচূড়া গাছটির কাছাকাছি আসলে কণ্ঠশিল্পী কিশোর কুমারের জনপ্রিয় সেই গানটির কথা মেন পড়ে যায়। তার কন্ঠে গেয়েছিলেন- আশা ছিল, ভালোবাসা ছিল, আজ আশা নেই, ভালোবাসা নেই। এই সেই কৃষ্ণচূড়া, যার তলে দাঁড়িয়ে, চোখে চোখ, হাতে হাত, কথা যেত হারিয়ে।

গাইবান্ধা বন বিভাগ কর্মকর্তা আব্দুর সবুর মিয়া বলেন, আগেরদিনে গ্রমাঞ্চলে প্রচুর কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল। এর কাঁঠ দিয়ে তৈরী করা হত নানা ধরণের আসবাপত্র। যা ছিল টেকসই-মজবুত। এখন বিভিন্ন প্রযুক্তিতে তৈরি আসবাপত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন কাঠঁ জাতের গাছের কদর কমেছে।

Digital Camera

 




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ