1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ২:৩৫ আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




সুন্দরগঞ্জে বালু উত্তোলণের মহোৎসব

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২০
  • ৩০৫ বার দেখা হয়েছে

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলণের মহোৎসবে মেতেছেন বালু ব্যবসায়ীরা।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের নছিরুল ইসলাম ও তার পুত্র রাজু মিয়া দির্ঘদিন ধরে বাড়ির পাশে ল্যাংগা খালে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত মেশিন বসিয়ে নির্বিঘেœই ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলণ পূর্বক জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে আসছে। বালু উত্তোলণ, সংরক্ষণ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা সড়কে হাতিয়া টংগের পাড় নামক স্থান থেকে নলডাঙ্গা-হাতিয়া গামী পেশকারের মোড় হয়ে যোগাযোগ রক্ষাকারী কাঁচা রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করছে। উত্তোলণকৃত ভূ-গর্ভস্থ বালু সরবরাহের ক্ষেত্রে পরিবহনের চাকার দলাদলিতে রাস্তাটি বর্তমানে যোগাযোগে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে টংগের পাড় থেকে পেশকারের মোড় নামক স্থানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এদিকে, বেলকা, হরিপুর, ভাটিকাপাসিয়া, উত্তর শ্রীপুর, বোয়ালীসহ বিভিন্ন স্থানে বালু ব্যবসায়ীরা একই কায়দায় ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলণ করে জমজমাটভাবে ব্যবসা চালিলে আসছে। এব্যাপারে কথা হলে হাতিয়া গ্রামের নছিরুলের পুত্র রাজু মিয়া জানান, তারা দীর্ঘদিনধরে এ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। সাংবাদিক নামধারী জেলা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৩১ জনকে সরাসরি অথবা মোবাইল ফোনের বিকাশ যোগে টাকা প্রদানের মাধ্যমে এ ব্যবসা চালাতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। তাদের ৪টি মেশিন সেটের মধ্যে ১টি মেশিন সেট সম্প্রতি জব্দ করে নিয়ে যায় প্রশাসন। পরে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে মেশিন সেটটি ফিরে আনার কথা স্বীকার করলেও প্রশাসনের কোনসে কর্মকর্তা তা বলতে নারাজ। সাজু মিয়া মোবাইল ফোনে আরও জানায়, এসব সাংবাদিককে প্রত্যেক সপ্তাহে বিভিন্ন অংকে টাকা দিতে। তার মধ্যে গাইবান্ধা থেকে আসা ৩ জনকে বেশি পরিমাণে দেয়া লাগে। শুক্রবার (১ মে) হাতিয়া লেংগা খালে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলণ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক হাতিয়া গ্রামের মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে আতিকুল, কিশামত হলদিয়া গ্রামের দছিজল হকের ছেলে জিস মিয়া, বামনী পাড়ার সাজু মিয়ার ছেলে ছামিউল জানান, তারা প্রত্যহ ৩’শ টাকা করে মজুরী পান। এদিকে রামজীবন ইউনিয়নের কে কৈ কাশদহ গ্রামের আরেক মেশিন সেটের মালিক রফিকুল ইসলাম ও তার সেটে কর্মরত শ্রমিক নরুল ইসলাম, আলম মিয়া ও ফারুক মিয়া জানান, সাংবাদিকদের কাছ থেকে অনুমতি নেয়া লাগে। তারা অনুমতি দিলে এ বালু উত্তোলণ ও ব্যবসায় কোন সমস্যা হয় না। এছাড়া, ২/১ জন গ্রাম পুলিশকেও কিছু করে দিতে হয়। এভাবেই চালিয়ে চাওয়া এ ব্যবসায় খুব বেশী লাভ না হলেও সংসার ও কামলা (শ্রমিক) চালা যায়।
কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ- পুলিশ পরিদর্শক মোখলেছুর রহমান জানান, শ্রীপুর ইউনিয়নের বোয়ালী গ্রাম থেকে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলণের কাজে ব্যবহৃত ২টি মেশিন সেট উদ্ধার করা হয়েছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ