1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ৯:৪৭ আজ মঙ্গলবার, ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




আসছে রং বাড়ছে চিন্তা: আম নিয়ে চাপাইনবাবগঞ্জ চাষীরা

  • সংবাদ সময় : শুক্রবার, ১ মে, ২০২০
  • ২৬৮ বার দেখা হয়েছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আবু সাঈদ আল জিহাদ :
মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে থমকে পড়েছে গোটা বিশ্ব। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। অথচ দিন দিন আম পাকার সময় ঘনিয়ে আসছে। তাই দেশের স্থবিরতায় উদ্বিগ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
আমের রাজধানী  চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলায় এবারও আমবাগান গুলোতে মাঝারী সাইজের আমের গুটিতে ভরপুর। তবে আম নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। কারণ করোনার প্রভাবে বাজারের পরিস্থিতি ভালো থাকবে কিনা, তা নিয়েই হতাশায় রয়েছে। এতে চলতি মৌসুমে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলায় আমবাগানের পরিমাণ ৩৩ হাজার ৩৫ হেক্টর। গত বছর ছিল ৩১ হাজার ৮’শ ২০ হেক্টর এবং গাছের সংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ ৩৯ হাজার ৬’শ ৩০।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানগুলোতে নানা জাতের আমের গুটি অনেকটাই বড় হয়ে গেছে। জৈষ্ঠ্য মাসে বাজারে উঠতে শুরু করবে আম। জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল হওয়ায় এই আমকে ঘিরেই এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু করোনার কারণে এ অঞ্চলের মানুষের মুখে যেন হাসি নেই, যেন মলিন হয়ে গেছে।
জেলা শহরের আম ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি বছর গাছে গাছে আম পর্যাপ্ত হলেও আমের বাজার নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন বাগান মালিকরা। আম মৌসুম জুড়ে লেনদেন হয় কয়েক হাজার কোটি টাকা। এতে চাঙ্গা হয় জেলার অর্থনীতি। মৌসুমের শুরু থেকেই বাগানের আম বিক্রি হয় এবং কয়েকবার হাত বদলও হয় । কিন্তু এবার করোনার প্রভাবে সবকিছুই গরমিল। আম বাজারজাত না করতে পারার আশঙ্কায় খরচ করে পরিচর্যাও বন্ধ রেখেছেন অনেক চাষি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক জনাব, নজরুল ইসলাম জানান, সবকিছু মিলিয়েই ভালো ফলনের আশা করা যাচ্ছে। আম ব্যবসায়ী ও বাগান মালিকদের আশ্বস্ত করা হয়েছে, আম যাতে ব্যবসায়ীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বিঘ্নে বাজারজাত করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এ বছর প্রায় পৌনে ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য্য করা হয়েছে।
এদিকে, আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জনাব, ড. জমির উদ্দীন আহম্মদ জানান, আম উৎপাদনে আমচাষিরা যাতে কোনো সমস্যায় না পড়েন, সেদিক বিবেচনা করে বাগান ঘুরে চাষিদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ