1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১১:৩৮ আজ শনিবার, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




৩৯তম বিসিএস উত্তীর্ণ ৬১ চিকিৎসকের নিয়োগ পেতে আবেদন

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৭৪ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: ৩৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মো. মিজানুর রহমানকে সহকারী সার্জন হিসেবে নিয়োগ দিতে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) গতবছর সুপারিশ করলেও আজও নিয়োগ পাননি তিনি। মেধা তালিকায় ৮০ নম্বরে থাকা এই মিজানুর রহমান পিএসসির সুপারিশ অনুযায়ী নিয়োগ পেতে জনপ্রশাসন সচিব, স্বাস্থ্য সচিবসহ সরকারের বিভিন্ন মহলে ধর্ণা দিয়েও ফল পাননি। অথচ মেধা তালিকায় আর নীচে থাকা হাজারো চিকিৎসককে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

সবমিলে ৩৯তম বিসিএস উত্তীর্ণ ৪৭৩০ জনকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আর এখনও নিয়োগ পাননি মিজানুর রহমান, সাদিয়া আফরিন, তানিয়া সুলতানা, এবিএম মেহেদী, মো. আবদুল্লাহ আল মামুনসহ ৬১ জন চিকিৎসক। পিএসসির সুপারিশ থাকার পরও নিয়োগ না হওয়ায় ওই চিকিৎসকরা নিয়োগের জন্য গত ২৩ এপ্রিল জনপ্রশাসন সচিব বরাবর আবেদন দিয়েছেন।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, পিএসসি ৪৭৯২ জন চিকিৎসককে বিসিএস(স্বাস্থ্য) ক্যাডারে নিয়োগ দিতে সুপারিশ করে করে গতবছর। ওই সুপারিশের পর গতবছর ১৮ নভেম্বর থেকে গত ২৩ মার্চ পর্যন্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় চারদফায় মোট ৪৭৩০ জনকে নিয়োগ দেয়। এখনও নিয়োগ পাননি ৬২ জন চিকিৎসক। এ অবস্থায় সরকার ৩৯তম বিসিএস থেকে আরো দুহাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের পর পিএসসি আরো দুহাজার চিকিৎসককে নিয়োগ দিতে সুপারিশ পাঠিয়েছে। কিন্তু এই দুইহাজার চিকিৎসকের আগেই মেধা তালিকায় থাকা ৬২ জন চিকিৎসক এখনও নিয়োগ পাননি। এই ৬২ জনের মধ্যে ৬১ জন নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন সচিবের কাছে আবেদন দিয়েছেন।

এ বিষয়ে মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই ভয়ঙ্কর সময়ে দায়িত্বশীল সকল নাগরিকদের সঙ্গে চিকিৎসকগণও এক গভীর পরিস্থিতি মোকাবেলা করছেন। ইতিমধ্যে করোনা আক্রান্তের তালিকায় শতাধিক চিকিৎসকও রয়েছেন, যা খুবই উদ্বেগজনক। এ ছাড়া অনেক চিকিৎসক কোয়ারেন্টিনে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে নতুন নতুন সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ অবস্থায় আমরা মনে করি, দেশের একজন সচেতন নাগরিক এবং চিকিৎসক হিসেবে বসে থাকতে পারি না। তাইতো আমরা দায়িত্ব পালন করতে চাই। এজন্যই আমরা মানবিক বিবেচনায় নিয়োগের জন্য আবেদন দিয়েছি।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ