1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ১২:৩৬ আজ মঙ্গলবার, ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




ফুলছড়িতে গৃহবধূর সম্ভ্রম বাঁচাতে পুরুষাঙ্গ কর্তন

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৭৪ বার দেখা হয়েছে

ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে গৃহবধূকে ধর্ষণ করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ কর্তনের শিকার হয়েছেন পাঁচ সন্তানের জনক রুহুল আমিন। বুধবার দিবাগত (২৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্যাসীর চর গ্রামে এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আহত অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে রুহুল আমিনকে (৩০) গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিজের সম্ভ্রম বাঁচাতে এ কাজ করেছেন বলে জানান ওই গৃহবধূ।
গৃহবধূর পরিবার ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, চরাঞ্চলীয় ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্যাসীর চর গ্রামের এক জেলের স্ত্রীর সাথে প্রতিবেশি আওলাদ হোসেনের পুত্র রুহুল আমিন দীর্ঘদিন যাবত অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। বুধবার রাতে ওই জেলে নদীতে মাছ ধরতে গেলে এই সুযোগে লম্পট রুহুল আমিন বাড়িতে প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় উক্ত গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় গৃহবধূ তার সম্ভ্রম বাঁচাতে ধারালো ব্লেড দিয়ে রুহুল আমিনের পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়। ঘটনার পর রুহুল আমিন দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বৃহস্পতিবার সকালে রুহুল আমিনের পরিবারের লোকজন আহত অবস্থায় তাকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ হারুন-অর-রশিদ জানান, লিঙ্গ কর্তন নিয়ে রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
ওই গৃহবধূ বলেন, লম্পট রুহুল আমিন আমাকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছে। নিজের নিরাপত্তা চেয়ে এরআগে গাইবান্ধা কোর্টে একটি জিডি করেছি। এরপরেও তিনি আমাকে উত্যক্ত করে আসছিল। বুধবার রাতে আমার স্বামী নদীতে মাছ ধরতে গেলে এই সুযোগে রুহুল আমিন ঘুমন্ত অবস্থায় আমাকে ধর্ষণ চেষ্টা করলে নিজের সম্ভ্রম বাঁচাতে বাধ্য হয়ে এই কাজ করছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল কাদের জানান, রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে এর আগেও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছিল। পরে বিষয়টি স্থানীয় মাতাব্বররা মিমাংসা করে দিয়েছে। বুধবার রাতের ঘটনার কথা জানতে পেরে ওই বাড়িতে গেলে মেঝেতে রক্ত দেখতে পাই এবং উক্ত গৃহবধূকে জিজ্ঞাসা করলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। এ বিষয়ে তাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ কাওছার আলী জানান, এ ব্যাপারে তিনি কোন লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ