1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ১১:২৩ আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




ইউরোপ-আমেরিকার তুলনায় সার্কভুক্ত দেশে কেন ‘মন্থর’ করোনা?

  • সংবাদ সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৮৩ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনার আঁতুড়ঘর চীনের পর ইউরোপের দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত দেশগুলোতে করোনা সংক্রমণের গতি অনেকটাই মন্থর।

অথচ ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়ার এসব দেশ অনেক ঘনবসতির। এখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কিংবা কোয়ারেন্টিন যথাযথভাবে মেনে চলা মুশকিল।

তবু এসব দেশে এখনও পর্যন্ত পশ্চিমা দেশগুলোর মতো ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারেনি করোনাভাইরাস।

 বিষয়টির কারণ জানতে ‘সাউথ এশিয়া ইকোনমিক ফোকাস’-এর তৈরি একটি সমীক্ষা রিপোর্টের দারস্থ হয়েছে বিশ্বব্যাংক।

ওই রিপোর্টে বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান ও আফগানিস্তানের মতো দেশগুলোর করোনা সংক্রমণ সংক্রান্ত বিশদ পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।

তুলনামূলক কম প্রাদুর্ভাবের সঠিক কারণ জানতে রিপোর্টটিতে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে বিশদ গবেষণা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে।

যদিও দক্ষিণ এশিয়ায় সংক্রমণের গতি ‘মন্থর’মনে হওয়ার অন্যতম কারণ হিসাবে কম করোনা পরীক্ষাকে বলছে রিপোর্টটি।

এতে আরও বলা হয়েছে, পৃথিবীর মাত্র ৩ শতাংশ ভূখণ্ডজুড়ে থাকা এই ৮ দেশে বিশ্বের ২১ শতাংশ মানুষ। তথাপিও বিশ্বের মোট করোনা-মৃত্যুর ১ শতাংশেরও কম ঘটেছে এই ভূখণ্ডে।

এ বিষয়ে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান পিএস রাঘবন বলেন, পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোতে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা নিঃসন্দেহে কম। এটি কি শুধু পরীক্ষা কম হওয়া বা সরকারগুলোর দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থার কারণে হচ্ছে নাকি এর পেছনে অন্য আরও কারণ রয়েছে, তা অনুসন্ধান সাপেক্ষে নিশ্চিত করতে হবে।

তবে পরীক্ষা বাড়ানোর পরও দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ইউরোপ-আমেরিকার মতো বাড়ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় বিশ্লেষক অমিতাভ কান্ত।

তিনি বলেন, পাকিস্তানে মোট জনসংখ্যার ৯.৫৪ শতাংশ করোনা পজ়িটিভ। বাংলাদেশে তা ১০.০৬ শতাংশ। শ্রীলংকায় ইতিমধ্যে করোনামুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জনজীবন শুরু করতে যাচ্ছে। শ্রীলংকায় এ পর্যন্ত ২৪৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। সাতজন মারা যাওয়ার পর নতুন মৃতের খবর পাওয়া যাচ্ছে না।

করোনা কেন সার্কভুক্ত এই ৮ দেশকে কাবু করতে পারছে না সে বিষয়ে আরও গবেষণা চালানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ