1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১১:১০ আজ রবিবার, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




গাইবান্ধায় আক্রান্ত ৪ জন, সুস্থ হয়েছেন ১৩ জন,হোম কোয়ারেন্টাইনে ২২৫

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০
  • ৩৪৮ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন ॥
করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ গাইবান্ধা জেলায় বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের উপর কড়া নজরদাড়ি রেখেছে স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসন। এক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও সহযোগিতা করছেন। ইতোমধ্যে ২২৫ জন ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। জেলায় নতুন করে ২ জনসহ করোনা ভাইরাসে আক্রান্তসহ মোট ৪ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়ায় গেছে। আক্রান্তদের সুন্দরগঞ্জ ও গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের আইসোলেসন ইউনিটে রাখা হয়েছে। এছাড়া হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে সুন্দরগঞ্জে ৫৮, গোব্দিগঞ্জে ৫১, সদরে ৪২, ফুলছড়িতে ১০, সাঘাটায় ১৪, পলাশবাড়িতে ১৪, সাদুল্যাপুর উপজেলায় ২৭ জন। করোনা ভাইরাসে সনাক্তকৃত ৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে হাসপাতালের আইসোলেসন ইউনিটে স্থানন্তর করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আমেরিকা থেকে আসা একজন নারী ও তার সন্তান এবং আমেরিকা প্রবাসী নারীর সংস্পর্শে আসা গাইবান্ধার লক্ষ্মীপুর নিবাসী তার আপন বোনসহ ৩ জনকে প্রথমে গাইবান্ধা শহরের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তাদের শরীরে করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ হওয়ায় সেখান থেকে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের আইসোলেসন ইউনিটে রাখা হয়। এছাড়া ওই আমেরিকা প্রবাসীর নারীর সংস্পর্শে আসার কারণে বিয়ের কনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয় এবং পরীক্ষা নিরীক্ষায় পজেটিভ প্রমাণিত হওয়ায় সদর উপজেলার নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টান থেকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সদরের আইসোলেসন ইউনিটে রাখা হয়েছে।
এছাড়া বগুড়ার ৯ জন সাদুল্যাপুর উপজেলায় বিয়ে বাড়িতে আসায় তাদেরকে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে বগুড়ার হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
গত ২৪ ঘন্টায় ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর তাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের কোন চিহ্ন না পাওয়ায় ১৩ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এখন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ২২৫ জন।
সিভিল সার্জন ডাঃ এবিএম আবু হানিফ জানান, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত  জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদেশ ফেরত ২২৫ ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তারা যাতে নিয়মের বাইরে না চলে সেজন্য তাদের উপর কড়া নজরদাড়ি রাখা হচ্ছে।
এদিকে জেলা প্রশাসন থেকে এক প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় জেলার প্রস্তুতি হিসেবে ৭টি সরকারি হাসপাতালে মোট ৪শ’ ৮১টি বেড রয়েছে। এরমধ্যে আইসোলেশ বেডের সংখ্যা ৩৫টি। এছাড়া জেলায় মোট ১শ ২৬ জন চিকিৎসক ও ১শ’ ৯০ জন নার্স রয়েছে। চিকিৎসকদের জন্য ৮শ’ ৫৮টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) মজুদ রয়েছে এবং ইতোমধ্যে ৮টি বিতরণ করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের জরুরী চিকিৎসায় স্থানান্তরের নিমিত্তে ১টি এ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে ও চিকিৎসা কেন্দ্রে জরুরী বিভাগে আইসোলেসনের ব্যবস্থা রয়েছে। অপরদিকে জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলার সর্বত্র মাইকিং করা হচ্ছে। গণ জমায়েত পরিহার ও সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালনসহ সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে জেলায় টহল প্রদান করা হচ্ছে। জেলায় সরকারি সহায়তা হিসেবে ১শ’ মে. টন চাল ও ৭ লাখ বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ১শ’ মে. টন চাল ও ৫ লাখ টাকা উপজেলা পর্যায়ে উপ-বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুতের কার্যক্রম করা হচ্ছে। তালিকা প্রস্তুতের পর প্রত্যেক পরিবারে চাল, ডাল, আলুসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য দিয়ে প্যাকেট প্রস্তুত করে সরবরাহ করা হবে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ