1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ১০:৪০ আজ বৃহস্পতিবার, ২১শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




সুন্দরগঞ্জে চাষ হচ্ছে স্কোয়াশ লাভের আশায় কৃষকেরা

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ১২৮ বার দেখা হয়েছে

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে স্কোয়াশ সবজি প্রথম বারের মতো চাষ হচ্ছে। লাভের আশা করছে কৃষক। উপজেলার কৃষিতে যোগ হলো আরেকটি নতুুুন সবজি স্কোয়াশ।
স্কোয়াশ মূলত উত্তর আমেরিকা ও মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চাষ হয়ে থাকে। স্কোয়াশ অনেকটা দেখতে শশা আকৃতির। এটি শশার মতো লম্বা হলেও রং মিষ্টি কুমড়োর মতো। উচ্চ ফলনশীল জাতের এ সবজি ভাজি, মাছ ও মাংসের তরকারিতে রান্নার উপযোগী, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এছাড়া এটি সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের রামডাকুয়া গ্রামের অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য গোলাম মোস্তফা তিস্তার চরাঞ্চলে ৫৫ শতাংশ জমিতে স্কোয়াশ চাষ করেছেন। এ জমিতে তিনি প্রায় ৩ হাজার ৫’শ চারা রোপণ করেছেন। স্কোয়াশের চারা গুলো এখন প্রায় ৭০ সে. মি লম্বা হয়েছে । প্রতিটি গাছে  ১০-১৪  টি স্কোয়াশ ধরেছে। সে অনুপাতে ওই জমিতে আনুমানিক ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার পর্যন্ত স্কোয়াশ উৎপাদন হতে পারে বলে আশাবাদী ওই কৃষক। প্রতিটি স্কোয়াশের ওজন ৮’শ গ্রাম থেকে ১ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৯ লক্ষ টাকা। যা উৎপাদন খরচের তুলনায় কয়েক গুণ বেশী।
স্কোয়াশ রোপণের ৬০-৬৫ দিনের মধ্যে ফলন আসতে শুরু করে। ফলে স্বল্প সময় ও অল্প খরচে অন্যান্য সবজির চেয়ে কয়েক গুণ বেশি লাভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন ওই কৃষক।
উপজেলায় প্রথম স্কোয়াশ চাষী অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য গোলাম মোস্তফা জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় স্কোয়াশ চাষে কৃষকরা লাভবান হওয়ার কথা শুনে আমার মধ্যেও আগ্রহ জাগে। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে চরাঞ্চলের বালু জমিতে স্কোয়াশ চাষ শুরু করি। এ পর্যন্ত আমার প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আশা করি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে স্কোয়াশ বাজারে বিক্রি করতে পারবো।
তিনি আরও বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে স্কোয়াশের ভালো বীজ ও চাষের প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেলে এটি তিস্তার চরাঞ্চলের কৃষকদের প্রধান অর্থকরী ফসল হতে পারে বলে মনে করি।
স্কোয়াশ বাগান পরিদর্শনের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জানান, আমি নিজেই স্কোয়াশ চাষি গোলাম মোস্তফার ক্ষেত নিয়মিত পরিদর্শন করছি এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। এটি উপজেলার প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ নতুন একটা ফসল। উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে এই ফসল (জুকিনি) নামেও পরিচিত। মন জুড়ানো মাঠভরা ফসল সত্যিই খুব সুন্দর। গোলাম মোস্তফার স্কোয়াশ চাষের উদ্যোগে আমি আন্তরিক ভাবে অনেক খুশি। এই ফসলের চাষ যেমন লাভজনক তেমনি কষ্টসাধ্য। অন্যান্য ফসলের চেয়ে এতে কয়েক গুণ বেশি লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন যদি অন্যান্য কৃষক স্কোয়াশ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করে তবে উন্নত মানের বীজ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিবে উপজেলা কৃষি বিভাগ।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ