1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ১:৫১ আজ মঙ্গলবার, ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




কামারজানীর সোনালী ব্যাংক স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১১৭ বার দেখা হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানীা ইউনিয়নের কামারজানী বন্দর থেকে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কামারজানী শাখা স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে দেড় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করা হয়েছে। কামারজানী, গিদারী, মোল্লারচর, মালীবাড়ী, শ্রীপুর ও কাপাশিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগে কামারজানী বন্দরে ব্যাংকটির কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কামারজানী বাজারের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিক, জেলে, দিনমজুরসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন এতে।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব রাজীব, কামারজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জহুরুল হক, সহসভাপতি এ টি এম শামসুল হুদা বাবলু, সাধারণ সম্পদক মহিউল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক সোলায়মান ইসলাম ও ফারুকুল ইসলাম, গিদারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সাদেক লেবু, কামারজানীর ইউপি সদস্য মাজু আহমেদ, সাবেক ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান, সামাজিক উন্নয়ন পদক্ষেপের নির্বাহী প্রধান সাদ্দাম হোসেন পবন, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য জহুরুল হক, ব্যবসায়ী স্বপন কুমার সাহা, তপন কুমার সাহা, গোলাম মোস্তফা লাল মিয়া, সমাজসেবক শফিকুল ইসলাম নয়া মিয়া, আব্দুল খালেক ও উদ্যোক্তা মাহাবুবুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭৬ সালে কামারজানী বন্দরে ব্যাংকটি স্থাপনের পর থেকে কয়েক হাজার গ্রাহক আর্থিক লেনদেন করছেন। ব্যাংকটি সর্বশেষ ২০১৮ ও ২০১৯ অর্থবছরেও লাভের মুখ দেখেছে। তারপরও একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যাংকের শাখাটি কামারজানী বন্দর থেকে দারিয়াপুরে স্থানান্তরের ষড়যন্ত্র করছে। আর তা করা হলে ৬টি ইউনিয়নের বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বিধবা, শিশু-কিশোরী-মাতৃত্বকালীন ভাতা, স্কুল-কলেজ-মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারী ও সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবিদের বেতন, বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা উত্তোলন, অবসরকালীন ভাতা এবং ব্যাংকটিতে আর্থিক লেনদেন করা ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হবেন। শুধু তাই না, কামারজানী বন্দরটিতে গ্রামীণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার দৈনিক লেনদেন করতে চরম বিপাকে পড়তে হবে কর্মকর্তাদের। এসব সুবিধাভোগীদের প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে ব্যাংকের প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে হবে। আর এই দীর্ঘপথে যাতায়াত করতে গিয়ে চরাঞ্চল ও গ্রামের নিরীহ সাধারণ মানুষ হয়রানীর শিকার হবেন। বেশি টাকা ও সময় ব্যয় হবে, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ঘটবে। আর তাই কামারজানী বন্দর থেকে ব্যাংক স্থানান্তরের প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি জানান বক্তারা। যদি ব্যাংকটি দারিয়াপুরে স্থানান্তর করা হয় তাহলে যে কোনভাবেই তা প্রতিহত করার হুশিয়ারি দেওয়া হয় মানববন্ধন থেকে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ