1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১:১৫ আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




১৩৫ দেশ ভ্রমণ করে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশের নাজমুন নাহার

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ২০২ বার দেখা হয়েছে

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের ১৩৫টি দেশ ভ্রমণ করে রেকর্ড গড়লেন নাজমুন নাহার সোহাগী। ১৩৫তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা হাতে নিয়ে কোস্টারিকায় যান তিনি। নাজমুন নাহার তরুণ ভ্রমণকারীদের জন্য একটি উদাহরণ তৈরি করলেন। তিনি বলেন, বর্ণ, সংস্কৃতি এবং জাতিসত্তার বাইরে আমাদের সবার উচিত সুখী জীবনযাপন এবং আমাদের গ্রহের সৌন্দর্য অন্বেষণ করা । নাজমুন নাহার সোহাগী সুইডেনের ল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তিনি তার দাদা এবং পিতা দ্বারা অনুপ্রাণিত, যারা নিজেরাও ভ্রমণ পছন্দ করতেন। তিনি তার মায়ের সাথে ১৪ টি দেশে গেছেন বলে জানিয়েছেন। চলতি বছর নাজমুন নাহার সোহাগী ভ্রমণ উৎসাহী নাসাউ কোলিজিয়াম ফোবানা শীর্ষ সম্মেলনে মিস আর্থ কুইন অ্যাওয়ার্ড এবং যুব সম্মেলন গ্লোব পুরষ্কার পেয়েছেন। তিনি নারী ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের বিভাগে অতীশ দীপঙ্কর স্বর্ণপদক পুরস্কার এবং জোনতা আন্তর্জাতিক ক্লাব পুরষ্কারও পেয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি রেড ক্রিসেন্ট মোটিভেশনাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছিলেন। সম্প্রতি তিনি ল্যাটিন আমেরিকার সকল দেশে ভ্রমণ করেছেন। কোস্টারিকা তার ১৩৫ তম দেশ ছিল। যাত্রাটি ছিল নাজমুন নাহারের পক্ষে চ্যালেঞ্জিং। তিনি জানান, আমি বেশ কয়েকটি পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি যেখানে আমার জীবন ঝুঁকির মধ্যে ছিল। একবার আমি মাঝরাতে একটি ম্যানগ্রোভ বনে আটকা পড়েছিলাম। আমি সাহারা মরুভূমির একটি বালুঝড়েও আটকে গিয়েছিলাম। ” নাজমুন নাহার রাতের অন্ধকারে পার হয়েছিলেন গুয়াতেমালা থেকে এল সালভাদরের সীমান্ত। সেখানে এল তুনকো শহরে কিছুদিন থাকার পর পাড়ি দিয়েছিলেন অন্য বাকি সব দেশগুলোতে। এল সালভাদোর থেকে হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া ও কোস্টারিকার সীমান্তগুলো একা একা সড়কপথে পাড়ি দিয়ে তিনি এখন অবস্থান করছেন কোস্টারিকার তামারিন্দ শহরে। ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে এবারের পাঁচটি দেশের অভিজ্ঞতা নিয়ে নাজমুন নাহার বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের অনেক কঠিন সীমান্ত থেকেও কঠিনতর সীমান্ত এলাকা ছিল এই ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলো। সড়ক পথের অবস্থা ভালো থাকলেও এখানে অনেক ধরনের ছিনতাই, খুন, কিডন্যাপ, মাদক চালান হওয়ার কারণে এখানকার দেশগুলো সফর অতটা সহজ ছিল না। গুয়াতেমালার শহরে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে এসেছেন তিনি। এর আগে ২০১৭ সালে দক্ষিণ আমেরিকার প্যাসিফিক সমুদ্রের পাশ ঘেঁষে যাওয়া দেশ কলম্বিয়া থেকে অভিযাত্রা শুরু করে ইকুয়েডর পেরু, বলিভিয়া, চিলি, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, ব্রাজিল প্যারাগুয়ে হয়ে পানামা পর্যন্ত সফর করেছিলেন নাজমুন নাহার। ২০১৫ সালে তিনি ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের দেশ জামাইকা, কিউবা, ডোমিনিকান রিপাবলিকসহ অন্যান্য দেশগুলো ভ্রমণের সময় মেক্সিকো থেকে বেলিজ পর্যন্ত সড়ক পথে সফর করেছিলেন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ