1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ২:১৬ আজ শনিবার, ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি




যে তিন অভিযোগে নিষিদ্ধ হয়েছেন সাকিব

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ১৫১ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: সব ধরণের ক্রিকেট থেকে সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি)। তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ এনে আইসিসি নিষেধাজ্ঞা দেয় বলে জানিয়েছে আইসিসি ক্রিটেট ডটকম। ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে সেটাকে প্রত্যাখ্যান করলেও আইসিসি কিংবা বিসিবিকে না জানানোর কারণেই এই শাস্তি আরোপ করা হলো ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটির পক্ষ থেকে।

তবে, দোষ স্বীকার করার কারণে, ১ বছরের শাস্তি স্থগিত করেছে আইসিসি। আইসিসির পক্ষ থেকেই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যে তিন অভিযোগে সাকিব নিষিদ্ধ হয়েছেন তা নিচে উল্লেখ করা হলো

 ১. ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং জিম্বাবুয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রি দেশীয় সিরিজের সময় সাকিবকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব দেয়া হয়ে ছিলো। সাকিব সে আমন্ত্রণ গ্রহণ না করলেও সঠিক সময় আকসুকে জানাতে ব্যার্থ হয়েছেন।

২. ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে ওই ত্রি দেশীয় সিরিজেই দ্বিতীয়বার ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়ে ছিলেন সাকিব। প্রথমবারের মতো দ্বিতীয়বারও তিনি এই কথা আকসুকে জানাতে ব্যার্থ হয়েছেন।

৩. ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল আইপিএলে হায়দারবাদ বনাম কিংস ইলিভেন পাঞ্জাবের মধ্যে ম্যাচ চলাকালে সাকিবের কাছে তৃতীয় বারের মতো ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব আসে। কিন্তু সাকিব এই প্রস্তাবের কথাও আকসুর কাছে গোপন করেছেন।

নিষেধাজ্ঞার খবর শুনে যা বললেন সাকিব

বাংলাদেশের ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি। তবে তিনি ভুল স্বীকার করে নেয়ায় তাকে এক বছর নিষিদ্ধ থাকতে হবে। ২০২০ সালে তিনি আবার ক্রিকেট খেলতে পারবেন।

শাস্তির খবর শুনে সাকিব আল হাসান আইসিসির ওয়েবসাইটকে বলেন, যে খেলাটিকে আমি ভালোবাসি, সেখানে নিষিদ্ধ হয়ে আমি চরমভাবে দুঃখিত। তবে আমি এই নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছি। কারণ আমি বিষয়টি অবহিত করেনি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আইসিসি এসিইউর মূল অংশ বাস্তবায়নে খেলোয়াড়দের ওপরই ভরসা করে থাকে। কিন্তু আমার কর্তৃব্য পালন করিনি।

তিনি বলেন, সারা বিশ্বের খেলোয়ার ও ফ্যানদের বেশির ভাগের মতো, আমিও চাই ক্রিকেট খেলা হোক দুর্নীতিমুক্ত থাকুক। আমি আইসিসি এসিইউ দলের সাথে কাজ করার অপেক্ষায় আছি তাদের শিক্ষা কর্মসূচিকে সমর্থন দিকে, তরুণ ক্রিকেটাররা যাতে আমার মতো ভুল না করে তা নিশ্চিত করতে।

 




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ