1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৩:২৭ আজ বুধবার, ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




সাঘাটা হাসপাতালে আউটডোরে নার্স দিয়ে চলছে মা ও শিশু চিকিৎসা!

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৯
  • ১৯৮ বার দেখা হয়েছে

আবু তাহের : সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার শুণ্যতায় দীর্ঘদিন ধরে নার্স দিয়ে আউটডোরে চলছে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা। দুর-দুরান্ত থেকে আসা মায়েরা তাদের সন্তানদের একজন মেডিকেল অফিসারের কাছে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার আশায় আসলেও নার্সদের মাধ্যমে সেবা নিয়েই বাড়ি ফিরছেন। আর সেবা নিতে আসা রোগীরা নার্সকেই মেডিকেল অফিসার ভেবে চিকিৎসা সেবা নিয়ে যাচ্ছেন। নার্স যতটুকু পারেন নিজের ইচেছমতো ওষুধ দিয়ে বিদায় করছেন রোগীদের। এভাবেই চিকিৎসা সেবায় প্রতারিত হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের সাধারন মানুষ।
২২ আগষ্ট সিভিল সার্জন এবিএম আবু হানিফ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে কোনভাবেই নার্স দিয়ে চিকিৎসা সেবা দেয়া যাবেনা বলে নির্দেশনা দিলেও কয়েক পর থেকে দেখা যায় সেই আগের চিত্র।  এসময় চিকিৎসা নিতে আসা মায়েদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, চর থেকে এসেছি হাসপাতালের বড় ডাক্তারের কাছে কোলের ছেলেটাকে চিকিৎসা দিতে। আমদির পাড়ার একজন বলেন, গত কয়েক দিন ধরে আমার নাতিটার জ্বর ও কাশ। গ্রামের ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খাওয়াইছি, তাতেও রোগ সারেনি। তাই বড় ডাক্তারে কাছে এসেছি। এছাড়াও ঘুড়িদহের জনৈক মা তার সন্তানের শ্বাস কষ্টের জন্য চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসলেও তিনি জানেন তিনি এমবিবিএস না কি নার্স।
ঐদিন, নার্সের সাথে কথা বলার পুর্বেই হাসপাতালে সাংবাদিক ঢুকেছে জানতে পেরে মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা: আহসান হাবিব ওই নার্সের রুমে প্রবেশ করেন।
এসময় আরএমও আহসান হাবিবের কাছে নার্স দিয়ে চিকিৎসা করানো যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা জানেন, আমাদের হাসপাতালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তাসহ ৬ জন চিকিৎসক। তার মধ্যে আমরা ৫জন পালাক্রমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি। তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন আউটডোরে কমপক্ষে ৪শতাধিক রোগি চিকিৎসা নিতে আসেন। দুইজন মেডিকেল অফিসার ও একজন সেকমো দিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগিদের চিকিৎসা দিতে আমরা হিমশিম খেয়ে বসি। তাই সাময়িক নার্স দিয়ে সাধারন রোগিগুলি দেখানো হচ্ছে। ওদের মধ্যে কেউ জটিল রোগে আক্রান্ত হলে সেই রোগিকে মেডিকেল অফিসারের কাছে পাঠানো হয়। তবে তিনি আশ্বাস দেন ৩ মাসের মধ্যেই এ সমস্যার সমাধান হবে।
নার্সের সাথে কথা বললে তিনি জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ আমাকে যে কাজে লাগাবেন আমাকে সেই কাজেইতো করতে হবে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ