1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১:১৭ আজ বৃহস্পতিবার, ৫ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী কানাডা

  • সংবাদ সময় : শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৯
  • ২০০ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের অন্যতম বাজার কানাডা। এই কানাডায় বাংলাদেশ ব্যাপক বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগকারীদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। গত অর্থবছরে বাংলাদেশ কানাডায় ১১১ কোটি ৮৭ লাখ ১০ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে, একই সময়ে আমদানি করেছে ৪৯ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য।

এদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন। কানাডা বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাষ্ট্র, দেশের উন্নয়নের সঙ্গেও তারা বিভিন্নভাবে সম্পর্কিত। দেশটি বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের উদীয়মান নানা খাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা খাতেও বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে অধিকাংশ প্রস্তাবই আর আলোর মুখ দেখেনি। এক্ষেত্রে বর্তমান সরকার কিছুটা দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। বিদেশী বিনিয়োগ ও স্থানীয় বিনিয়োগ বাড়াতে এরই মধ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। সেখানে কানাডার জন্য আলাদা একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ করলে সুফল মিলতে পারে। দুই দেশের মধ্যে চমৎকার বাণিজ্য সম্পর্ক বিদ্যমান থাকলেও বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ তেমন উল্লেখযোগ্য নয়।

কানাডিয়ান ক্রেতা হয়তো জানেন না, তাদের পোশাকটি বাংলাদেশে তৈরি। কানাডার ক্রেতারা পণ্যের মান সম্পর্কে খুব সচেতন। রফতানি আরো বাড়াতে বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো কানাডার বাজার সম্পর্কে নিবিড় সমীক্ষা চালাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র-চীন ও কানাডা-চীন বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হওয়ায় চলমান অস্বস্তি বাংলাদেশের জন্য সুযোগ উন্মোচন করেছে। এটি কাজে লাগাতে আমাদের ব্যবসায়ী ও সরকারকে সক্রিয় হতে হবে।

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা ব্যক্ত করা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে। সেখানে চ্যালেঞ্জও রয়েছে কিছু। এ সময়ে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হবে, তখন কানাডার কর ছাড়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে। এমন অবস্থায় উভয় দেশ কীভাবে বাণিজ্য সম্পর্ক আরো জোরদার এবং কানাডার বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে, তা নিয়ে দীর্ঘ পরিকল্পনা প্রয়োজন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ