1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১১:১১ আজ শনিবার, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




গাইবান্ধার ম্যাজিস্ট্রেট সেই সালমা

  • সংবাদ সময় : সোমবার, ৪ মার্চ, ২০১৯
  • ৪৭৫ বার দেখা হয়েছে

আফতাব হোসেন:  অসম্ভব  হাসজ্বল এক নারী। বিসিএস ক্যাডারে কর্মজীবন শুরু করলেও মানুষের সাথে কথা বলা ও  মিলে মিশে থাকতেই ভালবাসেন তিনি।   সহকর্মীদের সাথেও তার দারুন রিলেশন। একজন ম্যাজিষ্ট্রেট হিসাবে যেমন দায়-দায়িত্ব পালন তেমনি গাইবান্ধার উন্নয়নে যথেষ্ট পরামর্শকের দায়িত্বও পালন করেছেন।  যার কারনে গাইবান্ধাবাসীর কাছে তিনি পরিচিত সালমা ইসলাম হিসাবেই।  জেলার অনেকের ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিষ্টেও আছেন তিনি। বলছিলাম  ৩৩ তম বিসিএস-এ উত্তীর্ণ হয়ে সহকারি কমিশনার হিসাবে কর্মজীবন শুরু করা  সেই সালমা খাতুনের কথা। যিনি  গাইবান্ধা জেলায় কর্মকালীন সকলের কাছে প্রিয়  ছিলেন। ।  শনিবার বিকেলে ঢাকার হাতিরঝিলে অন্তত এক কিলোমিটার দৌড়ে ছিনতাইকারী পাকড়াও করে সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন এই নারী কর্মকর্তা। তাঁর এই সাহসিকতার গল্প ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে বিভিন্ন মিডিয়ায়।

শনিবার বিকেলে রিকশায় করে রাজধানীর হাতিরঝিল দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। ওখানে যানজটে বসে থাকার এক মুহূর্তে তাঁর গলায় থাকা লকেটসহ স্বর্ণের চেইনটি ছিঁড়ে নিয়ে দৌড় দেয় ছিনতাইকারী। তিনি সাহস করে তাকে ধাওয়া করেছিলেন। শাড়ি পরিহিত অবস্থা ছুটতে ছুটতে অন্তত এক কিলোমিটার দৌড়ে ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলেন। উদ্ধার করেন তাঁর চেইনটি। তবে ছিনতাইয়ের সময় লকেটসহ চেইনটি টুকুরো হয়ে যাওয়ায় চেইনের পুরো অংশটি উদ্ধার করতে পারেননি তিনি। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সাহায্য নেন পুলিশের। ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন সালমা খাতুন।

সালমা খাতুন বলেন, নারী-পুরুষ ভেদে সাহসিকতার ভিন্ন কোনো সংজ্ঞা নেই। যেকোনো অপরাধ সংঘটনের প্রাথমিক পর্যায়ে যদি সাধারণ মানুষ পুলিশ আসার অপেক্ষায় না থেকে সাহস করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে, তাহলে সেটিই বহু সমস্যার আগাম সমাধান দিতে পারে। একজন নারীর সাহসিকতা দেখে দশজন নারী এগিয়ে আসবে। তারাও প্রেরণা পাবে সাহস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার। আমার এ কর্মকাণ্ড দেখে সেখানে থাকা আরো ১৫/২০ জন নারী এগিয়ে এসে আমাকে ধন্যবাদ দিয়েছে। আমি মনে করি তারাও প্রেরণা পেয়েছে সাহসের সাথে অপরাধ মোকাবিলা করার।

বর্তমানে তিনি  ঢাকার দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত আছেন। তার এই সাহসী পদক্ষেপ আমাদেরকেও সম্মানিত করেছে- এজন্য আমরা গাইবান্ধবাসীও তাকে অভিনন্দন জানাই।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ