1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ১০:২৩ আজ বৃহস্পতিবার, ১২ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




আশ্বাসেই স্বস্তির হাসি কান্দুরা বেওয়ার

  • সংবাদ সময় : সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
  • ১২০ বার দেখা হয়েছে

তোফায়েল হোসেন জাকির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
“আর কতদিন কাঁদবেন কান্দুরা বেওয়া” শীর্ষক সংবাদটি দৈনিক আজকের জনগণসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশের পর বিষয়টি আমলে নিলেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মন্ডল। কান্দুরা বেওয়াকে ভাতা কার্ড দেওয়ার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি গ্রহনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তিনি যাতে দ্রুত এই সুবিধার আওতায় আসেন সেজন্য পদক্ষেপও নেয়া হয়েছে। আর ভাতা কার্ড পাবে এমন আশ^াসে কান্দুরা বেওয়ার অশ্রুজল আর ঝড়ছে না। এখন তার মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক।
সোমবার সকালে বৃদ্ধা কান্দুরা বেওয়া এ প্রতিবেদককে বলেন, ও বাহে বাবা, তোমরা মোর ফটো পেপারত দেওয়াতে চেয়ারম্যান ভাই হামাক ডাকছিলো। মোর ভোটার কাট ও দুক্যান ফটো চেয়ারম্যানক দিছোম বাহে। হামাক এখন ভাতা কাট করি দিবি। আঞ্চলিক ভাষায় কান্দুরা বেওয়া এমনভাবে কথা বলতে তার মুখে হাস্যজ্জ্বল ও আনন্দের বন্যা দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, ভিখারীনি কান্দুরা বেওয়া। প্রকৃত বয়স প্রায় ৮৫ বছর কিন্তু এনআইডি কার্ডে তার বয়স ধরা হয়েছে ৭১ বছর। গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ৪নং জামালপুর ইউনিয়নের বুজরুক রসুলপুর গ্রামের (পিরোজপুর) মৃত মহির উদ্দিনের স্ত্রী এ হতদরিদ্র, বিধবা কান্দুরা বেওয়ার ভাগ্যে আজও জোটেনি বয়স্ক ভাতা কিংবা বিধবা ভাতা কার্ড। ফলে নানা অভাব-অনটনের মধ্য দিয়েই খেয়ে-না খেয়ে বেঁচে আছেন তিনি। শেষ বয়সে একটি ভাতা কার্ডের প্রত্যাশা করেন কান্দুরা বেওয়া।
বৃদ্ধা এই কান্দুরা বেওয়ার এক সময়ে লাঠিতে ভর দিয়ে ভিক্ষা করে দিনাতিপাত করতো। এখন চোখেও দেখেন কম। এমনকি লাঠিতে ভর দিয়েও চলতে পারে না। দিন-রাত প্রায় বিছানায় তিনি শয্যশয়ী।
সম্প্রতি কান্দুরা বেওয়ার সারা শরীরে নানা অসুখে বাসা বেঁধেছে। ওষুধ কেনার সামর্থ্যও নেই। সেই সাথে অর্থ সংকটে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন্ও জোটে না তার।
জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী কান্দুরা বেওয়ার জন্ম তারিখ ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর। প্রায় ১৫ বছর আগেই   স্বামী মহির উদ্দিরকে হারিয়ে বিধবা হয়েছেন। সেই থেকে ছেলে ও মেয়েদের নিয়ে নিরন্তর সংগ্রাম করে চলেছেন। যদিও মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। আর একটি মাত্র ছেলে জেলার বাহিরে দিনমজুরি করে যা রোজগার করে তা দিয়েই তাদের সংসার চলে না। তবে মৃত্যুর আগেই একটি ভাতা কার্ডের আঁকুতি জানান কান্দরা বেওয়া। এ বিষয়ে বিভিন্ন দৈনিক আজকের জনগণসহ কয়েকটি পত্রিকায়  বিষয়টি প্রকাশের পর নজরে পরে ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মন্ডলের।
জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মন্ডল বলেন, বৃদ্ধা কান্দুরা বেওয়ার কাগজপত্রাদি নেওয়া হয়েছে। তার নামে ভাতা কার্ড প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ