1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ২:৩৬ আজ মঙ্গলবার, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩০শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




মনোনয়ন যুদ্ধে কপাল পুড়ছে ব্যারিস্টার মওদুদের

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৮
  • ১৫৫ বার দেখা হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: নোয়াখালী জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী আসন নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সঙ্গে স্থায়ী কমিটির বিতর্কিত সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন। আর মহাসচিবকে ইন্ধন দিচ্ছেন স্বয়ং দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

১৮ নভেম্বর বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসায় দলটির প্রভাবশালী নেতারা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। একটি অংশ মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ নিলেও অন্য অংশটি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের পক্ষ নিয়েছে।

বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের একজন সদস্য সূত্রে জানা যায়, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ডিগবাজি দেওয়ার রেকর্ড থাকায় দলের কেউ তাকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাছাড়া তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে দলের স্থানীয় নেতারা তো বটেই, খোদ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নাখোশ।

অপর একটি সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমানের আস্থাভাজন বলে পরিচিত ফখরুল ইসলাম নামের একজন শিল্পপতি এবার নোয়াখালী-৫ আসনের মনোনয়নপত্র কেনেন, সেই শিল্পপতিকে দলের নেতারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে বললে, এতে তিনি সাড়া দেননি। তিনি টাকার বিনিময়ে মনোনয়ন কিনতে চান। এমনকি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নিজে শিল্পপতি ফখরুল ইসলামের ফাইলটি বাতিল করতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বলেন। কিন্তু বিএনপি মহাসচিব ফাইলটি বাতিল না করে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।

বিএনপি মনোনয়ন বোর্ডের একজন সদস্য জানান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে কৌশলে বাদ দিতেই শিল্পপতি ফখরুল ইসলামকে সামনে আনা হয়েছে। তাছাড়া শিল্পপতিকে মনোনয়ন দিতে মোটা অংকের টাকা-পয়সা লেনদেন হয়েছে। তা এখন স্পষ্ট।

প্রসঙ্গত, নোয়াখালী-৫ কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট এবং নোয়াখালী সদরের একাংশ নিয়ে আসন গঠিত। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এ আসন থেকে ১৯৭৯ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে তিনি আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং সরকারের তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ওই বছরই তাকে উপপ্রধানমন্ত্রী করা হয়। ১৯৮৮ সালে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৮৯ সালে তাকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় এবং হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তাকে উপরাষ্ট্রপতি করেন। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকার জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেন। জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে ১৯৯১-এ মওদুদ আহমদ আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ২০০১ সালে তিনি বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপি সরকারের আমলে মওদুদ আহমদ আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

তাছাড়া ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ এর বর্তমান সংসদ সদস্য হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর আগে তিনি ১৯৯৬, ২০০৮-এ একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ