1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৩:৩৪ আজ সোমবার, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি




ফল উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম

  • সংবাদ সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৮
  • ২২২ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: খুব বেশি আগের কথা নয়, যখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় নির্দিষ্ট পরিমাণ ফল রাখতেন না। শহরে বা গ্রামে ফলের উৎপাদন সেভাবে হতো না, ফলের বাজার ব্যবস্থাও এতটা বিস্তৃত ছিল না। সে সময় ফলের উৎপাদন বলতে বাড়ির ধারে বা পুকুরপাড়ে বিভিন্ন প্রকার ফলের গাছ লাগানো হতো কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে ফলের চাষ সেভাবে দেখা যেত না। কিন্তু এখন বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ফলের উৎপাদন হচ্ছে, দেশের মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ফল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। চলতি বছরে, বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়েছে এক কোটি ২১ লক্ষ মেট্রিক টন ফল। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
বিশ্ব খাদ্য সংস্থা তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, ফলের গড় উৎপাদনের হারে বাংলাদেশ বিশ্বের এক নম্বর দেশ। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে যে হারে ফলের উৎপাদন বাড়ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক আয়ের একটা বড় অংশ আসবে ফলের বাণিজ্যিকীকরণ মাধ্যমে।
এই বিস্ময়কর অগ্রগতির পেছনে রয়েছে বর্তমান সরকারের সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত কর্মপ্রয়াস, পরিশ্রমী ফলচাষী, নার্সারী মালিক, কৃষিবিজ্ঞানী এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মীদের সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত চেষ্টা। বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ৩৪ প্রজাতির ফলের ৮১ টি এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জার্মপ্লাজম সেন্টার ২৫ প্রজাতির ৮৪ টি উফশী জাতসহ এসব ফলের দ্রুত প্রজনন এবং চাষাবাদ প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছে। এসব প্রযুক্তি কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারণ করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি এবং প্রায় ১২ হাজার নার্সারি মালিকের এক শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ফল উৎপাদন বৃদ্ধির পেছনে মৌলিক অবদান রেখেছে। বেশ কিছু বিদেশি ফল বাংলাদেশে সফলভাবে চাষ করার প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।
বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার, ফলের বাণিজ্যিক উৎপাদন এবং বাজার সৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে ফলের উৎপাদন এবং বাণিজ্যিকীকরণ অব্যাহত থাকলে অচিরেই বাংলাদেশ নিজেদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বিশ্ববাজারে ফল রপ্তানি করতে সক্ষম হবে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ