1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১২:২৩ আজ শুক্রবার, ১৫ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




ড. কামালের বিরুদ্ধে বিএনপির ৫ অভিযোগ

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৮
  • ১৩৪ বার দেখা হয়েছে

 ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের শুরুটা চাঞ্চল্যকর হলেও এরইমধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে জোটটির আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে প্রধান শরিক বিএনপির দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের জেরেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্রের দায়িত্ব নিজেই নিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই মতানৈক্য প্রকাশ্যে না এলেও বিএনপির সঙ্গে ড. কামালের দূরত্বের পেছনে জানা গেছে ৫টি বিশেষ কারণ।

প্রথমত, ড. কামাল ঐক্যফ্রন্টের বিগত দুইটি সমাবেশেই বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের কথা, আদর্শের কথা বলেন। কিন্তু ড. কামালের এমন মন্তব্য বিএনপির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যেহেতু একটি প্লাটফর্ম ফলে সেখানে দাঁড়িয়ে ব্যক্তি বিশ্বাস উপস্থাপন করা অনুচিত। প্রকাশ্য জনসভায় এ ধরনের মন্তব্যে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিব্রত হন।

দ্বিতীয়ত, সমাবেশসহ বিভিন্ন সভায় ড. কামাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে টেনে আনলেও ভুলেও তিনি জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ করেননি। কিন্তু একটি নিরপেক্ষ প্লাটফর্ম থেকে বিএনপি আশা করে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে যদি আলোচনায় আনতেই হয় তবে দুই নেতাকেই সমান সম্মান দেখানো হোক। যা মানতে রাজি নয় ড. কামাল।

তৃতীয়ত, বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির ব্যাপারে ড. কামাল নিঃস্পৃহ। এ পর্যন্ত কোন আনুষ্ঠানিক বৈঠকে তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রসঙ্গটি উত্থাপনই করেননি। এমনকি ঐক্যফ্রন্টের বিগত দুই সমাবেশেও তিনি এনিয়ে আলোচনা করেননি। বরং প্রতিবারই ভুলবশত খালেদা জিয়ার কারামুক্তির প্রসঙ্গ না আনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। বিএনপির প্রশ্ন, এক ভুল কয়বার হয়?

চতুর্থত, ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের হয়রানি, গ্রেপ্তার এবং মামলা নিয়েও ড. কামাল হোসেন উদ্বিগ্ন নন। এ নিয়ে আইনি পরামর্শ তো দূরের কথা, বক্তৃতা-বিবৃতিতেও অনাগ্রহী ড. কামাল। সম্প্রতি ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন গ্রেপ্তার হবার পর যেকোন ধরনের বিবৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান ড. কামাল হোসেন। এমনকি ডা. জাফরুল্লাহ’র উপর সাম্প্রতিক মামলা এবং গণস্বাস্থ্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবস্থার ব্যাপারেও কোন প্রতিবাদ জানাননি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এই নেতা।

পঞ্চমত, বিএনপির অভিযোগ, ড. কামাল বরাবরই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে ‘স্বৈরাচারী’ কায়দায় চালাতে চান। তিনি অন্যের মতামতের ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল নন। ভিন্নমত গ্রহণের কোন মানসিকতাও নেই তার।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সিলেট ও চট্টগ্রামে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশের প্রেক্ষিতে এবং সরকারের সঙ্গে প্রথম দফা সংলাপের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বিএনপির একান্ত বৈঠকে ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলো উত্থাপন করেন। বিভিন্ন সূত্রের খবরে জানা গেছে, মির্জা ফখরুল ড. কামাল হোসেনকে নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারে সবচেয়ে আগ্রহী ছিলেন, তিনিই এখন ড. কামালের সমালোচনায় মুখর।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ