1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ১০:০৫ আজ মঙ্গলবার, ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৯শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




ইদুর নিধনে যৌথ অভিযান!

  • সংবাদ সময় : সোমবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৮
  • ১২৪৫ বার দেখা হয়েছে

তোফায়েল হোসেন জাকির, সাদুল্যাপুর থেকে:
কৃষকের কাঙ্খিত স্বপ্নের ফসল আমন ধানের ক্ষেত চলে যাচ্ছে ইদুরের পেটে। দল বেধে ইদুর আক্রমন করে ধানের গাছগুলো কেটে সাবার করছে।   এর ফলে সাদুল্যাপুর উপজেলার কৃষক মহল মহা বিপাকে পড়েছে। আর ইদুর নিধনে চাষী ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যৌথ অভিযান পরিচালনা করেও কোন কাজ হচ্ছে না।
সম্প্রতি এ অঞ্চলে আমন ধানের শিষ বেরুতে শুরু করেছে। বুক ভরা আশা নিয়ে আছেন উপজেলার কৃষক-কৃষানীরা। আমন ধান ঘরে তুলে তারা তাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাবে। কিন্তু ধান ক্ষেতে ইদুর আক্রমনে নানা দুশ্চিন্তায় পড়েছন কৃষককুল। রসুলপুর ইউনিয়নের আরাজী তরফ কামাল গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান জানান, তিনি এবার দুই একর জমিতে আমন চাষাবাদ করেছেন। এখন প্রায় ধানের শিষ বের হচ্ছে। এ অবস্থায় ধান ক্ষেতে ইদুরের উপদ্রব দেখা দেওয়ায় তিনি দুশ্চিন্তায় আছেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আমন ধানে ইদুরের উপদ্রব বেশী। এ জন্য ঔষধ ছিটিয়ে কোন লাভ হচ্ছে না। এমনকি ক্ষেতের মধ্যে পলিথিন বেধে দিয়েছেন। এবং আশেপাশের অনেক কৃষক ক্ষেতের চারপাশে ইদুর মারার ফাদ পেতে রেখেছেন। এতেও কোন কাজ হচ্ছেনা তাই আমরা কারেন্টের দিয়ে ইদুর মারা শুরু করেছি। গতকাল সন্ধ্যার পর তিনি ৩০টি ইদুর মেরেছেন। কারেন্ট দিয়ে ইদুর মারা বিপদজনক এক উদ্দেশ্যে জানতে চাইলে বলেন, মূলত সন্ধ্যার পর আমি কারেন্ট সংযোগ দেই, রাত ১১ টা মধ্যেই ইদুর কারেন্ট শক করে মারা যায়। কারেন্ট সংযোগ দেয়া শুরু থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন পর্যন্ত আমি পাহাড়ায় থাকি যাতে কোন বিপদ না হয়। বর্তমানে এভাবে অনেকেই ঝুকি নিয়ে ইদুর নিধন করছে।
ছান্দিয়াপুর গ্রামের কৃষক ছয়েছ উদ্দিন, আজাদ হোসেন, আবুল হোসেন, লুৎফর রহমানরা জানান, ইদুর এবার আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি করছে। এভাবে ক্ষতি করলে আমরা আমাদের কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছিতে পারবে না।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রভাত চন্দ্র অধিকারী বলেন, এবারে এ ইউনিয়নে ১ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আসছি। ইদুর নিধনে তিনি আরও বলেন, ধানের জমির আইল পরিস্কার রাখা, গর্ত বন্ধ করে দেওয়া এবং অন্য গর্তের মুখে পানি ঢালতে হবে। ইদুর দমনের জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় ক্ষেতে এমন কিছু ব্যবস্থা করা। যাতে সব সময় শব্দ হয়। শব্দ হলে ইদুর ভয়ে ক্ষেতে ঢুকবে না। এতে চাষিরা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে।
সাদুল্যাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান জানান, মাঠ ফসলের বৃদ্ধির সাথে সাথে ইঁদুর   প্রজনন প্রক্রিয়াও চালাতে থাকে। তাই ফসলের থোড় ও পাকা অবস্থায় ইঁদুর দমন ব্যবস্থা ততটা কার্যকর হয় না। কারণ এ সময় মাঠে ইঁদুরের সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যায়। এ সময় ইঁদুরের ক্ষতির মাত্রা বেশি হলেই কেবল ইঁদুরের উপস্থিতি বুঝা যায়, তখন দমন ব্যবস্থা ততটা কার্যকরী হয় না। কারণ মাঠের ফসল রেখে ইঁদুর বিষটোপ খেতে চায় না এবং দমন খরচ অনেক গুণ বেড়ে যায়। তারপরও ইঁদুর নিধন বিষয়ে   কৃষকদের নানা কৌশল বা পরামর্শ অব্যহত আছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ