1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় রাত ৯:০৯ আজ সোমবার, ১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




ভাসানচরের পথে ১ লাখ রোহিঙ্গা

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৮
  • ১১৩ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা ভাসানচরে ১ লাখ রোহিঙ্গার বসবাসের জন্য সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। চলতি মাসের প্রথমদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে ভাসানচর রোহিঙ্গা পুনর্বাসন কেন্দ্র। ইতোমধ্যে বেড়িবাঁধ, বাসস্থান, সাইক্লোন শেল্টার, মসজিদ, অভ্যন্তরীণ সড়ক ও লাইট হাউজসহ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ৮০ ভাগ।

চরটির দৈর্ঘ্য ১২ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৪ কিলোমিটার। সেখানে নয় মাস ধরে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। প্রাথমিকভাবে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসন করা হবে। বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে বিশাল এ চরকে। নির্মাণ করা হচ্ছে থাকার ঘর, খেলার মাঠ, পুকুর, মসজিদ, হাসপাতাল, সড়ক, লাইট হাউজ, গার্ডেন, সাইক্লোন শেল্টার ও সোলার সিস্টেম।

ভাসানচরে তৈরি হচ্ছে ১ হাজার ৪৪০টি টিনশেড পাকাঘর। প্রতিটি শেডে রয়েছে ১৮টি কক্ষ। শেডের দুই পাশে আছে বাথরুম আর রান্নাঘর। প্রতি চার সদস্য বিশিষ্ট পরিবারকে দেয়া হবে একটি কক্ষ। প্রতি কক্ষে থাকছে দোতলা বিশিষ্ট দুটি বেড। মাটি থেকে চার ফুট উঁচুতে হচ্ছে বাসস্থান।

মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা এ চরকে ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে নিরাপদ করার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ১৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এবং চারতলা বিশিষ্ট ১২০টি সাইক্লোন শেল্টার।

প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে বাকি কাজ শেষ হওয়ার আশা প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) তন্ময় দাস জানান, ভাসানচরে পুনর্বাসিত রোহিঙ্গাদের জন্য সব ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে বিভিন্ন অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে এই চরকে সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর আগে চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ