1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় বিকাল ৪:৫৭ আজ শুক্রবার, ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জামায়াতকে নিয়েই নির্বাচনে যাবে বিএনপি

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর, ২০১৮
  • ১১০ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাধীনতা বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী এ দেশের রাজনীতিতে নেতিবাচক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আদর্শগত দিক থেকে জামায়াতে ইসলামী চিরকালই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে এসেছে এবং ১৯৭১ সালে তাদের কৃতকর্মের জন্য আজও এদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেনি। এমন স্বাধীনতা বিরোধী দলকে সাথে নিয়েই একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে বিএনপি।

জামায়াতের এ উত্থানে মূল ভূমিকা পালন করেছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজাকার ও স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসন এবং তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভুলণ্ঠিত করেছেন।

১ অক্টোবর ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে চারদলীয় জোট গঠন করে ক্ষমতায় যায় বিএনপি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চিত্রটা পাল্টে গেছে। বিএনপি-জামায়াত মাত্র ৩২টি আসনে জয়ী হয়। রাজাকারদের মানুষ বর্জন করে। সে নির্বাচন থেকেও বিএনপি কোন শিক্ষা নেয়নি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতকে সাথে নিয়েই নির্বাচনে অংশ নিবে বিএনপি। ৩০ সেপ্টেম্বর বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে জামায়াতের অংশগ্রহণ দেখে তাই মনে হয়েছে। সিটি নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে বিএনপি জামায়াত সম্পর্ক খারাপ হলেও জাতীয় নির্বাচনের পূর্ব মুহুর্তে এসে তাদের সে সম্পর্ক আবারও বন্ধুত্বের রূপ নিয়েছে।

যেহেতু জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হয়েছে সেহেতু জামায়াত রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তাই জামায়াত ঐক্য করে হলেও নির্বাচনে যেতে আগ্রহী। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী দল হওয়ায় জামায়াতকে বিএনপি ছাড়া অন্য কোনো দল তাদের সাথে ঐক্য করতে আগ্রহী নয়। তাই বিএনপির শত জুলুমের পরও জামায়াত বিএনপির সাথেই থাকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের এক নেতা জানায়, ‘বিএনপির একার পক্ষে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান করা সম্ভব হবে না। খালেদা ও তারেক নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না সেটাও নিশ্চিত’। দলের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণেও বিএনপি এখন প্রায় ছন্ন ছাড়া। এমন দল দিয়ে শক্তিশালী আন্দোলনও সম্ভব হবে না। জামায়াতকে পাশে পায়নি বলেই খালেদার মুক্তির আন্দোলন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবির আন্দোলনও জোরদার করতে পারেনি। আগামী নির্বাচনে বিএনপি শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে তাই বাধ্য হয়েই জামায়াতকে সাথে নিতে আগ্রহী বিএনপি।

 




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ