1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ১২:৪৭ আজ বুধবার, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




সাঘাটায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা: থানায় অপমৃত্যুর অভিযোগ, আদালতে হত্যা মামলা

  • সংবাদ সময় : রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ২৫০ বার দেখা হয়েছে

সাঘাটা সংবাদদাতা:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার চর উত্তর দিঘলকান্দি গ্রামে শিরিনা বেগম (২১) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করে আত্মহত্যা হিসাবে থানায় অপমৃত্যুর অপচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। এঘটনায় গাইবান্ধা জেলা আদালতে পাঁচজনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দিঘলকান্দি গ্রামের পাষান মোল্লার মেয়ে শিরিনার সাথে উত্তর দিঘলকান্দি গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে মাহেদুল ইসলাম (২৬) এর সাথে দেড় বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই জুয়া খেলার টাকার জন্য শিরিনার বাবার কাছে টাকা দাবী করতো। মাঝে মধ্যে সাধ্যমতো টাকা দিতো, তবে টাকা না দিলে মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন করতো মাহেদুল। বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে আলোচনা হলেও মাহেদুলের বাবা, মা ও তার চাচারা সমাধান করতে চাননি। তারা উল্টো স্থানীয় দাপট দেখিয়ে জুয়ারু ছেলের পক্ষ নিয়ে শিরিনাকে নির্যাতনে উস্কানি দিতো। ঘটনার সময় ৩১ আগষ্ট ২০১৮ শুক্রবার রাতে শিরিনার বাবার কাছে জুয়া খেলার টাকা দাবী করে মাহেদুল। অভাবী বাবার পক্ষে টাকা দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানালে শুরু হয় নির্যাতন। মধ্যরাতে মাহেদুলের পরিবারের লোকজনের সামনেই পিটিয়ে রক্তাক্ত করে পা ভেঙ্গে দেয়। এসময় সে অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে ঘরে নেয়া হয় এবং  ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ তারিখ শনিবার ভোর রাতেই শিরীনার মৃত্যু হয়। পরে বিষয়টি ভিন্নখাতে নিতে পরিবারের সবাই মিলে নাটক সাঁজাতে শুরু করে। প্রথমে শিরিনার মুখে বিষ ঢেলে দেয়, পরে লাশটি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা প্রচার করার জন্য টিনের ঘরের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
পরের দিন সকালে শিরিনার শ্বশুর বাড়ির লোকজন থানায় সংবাদ দিলে থানা ম্যানেজ করে লাশ  দাফন করার চেষ্টাও করে। ইতোমধ্যে শিরিনার বাবার বাড়ি থেকে লোকজন লাশ দেখতে আসলে স্থানীয় লোকজনের চাপ প্রয়োগ করে একটি ইউডি মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেয়। শিরিনার নিরক্ষর বাবা কোনকিছু বুঝে ওঠার আগেই অপমৃত্যু হয়েছে মর্মে স্বাক্ষর করে। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জন শুরু হয়। একটি হত্যা মামলা কিভাবে ধামাচাপা দিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে চালানো হচ্ছে তা নিয়ে স্থানীয় দু-একটি পত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে প্রকৃত ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। পরে শিরিনার বড় ভাই গোলাম মোস্তাফা  বগুড়া থেকে এসে স্থানীয়দের কাছে ঘটনার বিস্তারিত শুনে গত ৬/৯/২০১৮ তারিখে গাইবান্ধা জেলা আদালতে মাহেদুল ইসলাম তার পিতা জহুর উদ্দিন, মা নাজমা বেগম, চাচা জয়েন উদ্দিন ও এনাচ সরকারকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। সি.আর নং ২২৩/২০১৮।  তবে, মামলা দায়ের করার সংবাদ শুনেই আসামীরা গা ঢাকা দেয়।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ