1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ৭:৫৯ আজ বৃহস্পতিবার, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




হলি আর্টিজান হামলা: শিক্ষক হাসনাত করিমের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই, ২০১৮
  • ১৭৫ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমের কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। এ কারণে মামলার চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দিয়েছে পুলিশ।

সোমবার হলি আর্টিজান হামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে সিটিটিসি। এতে নিহত ও জীবিত ২১ অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষক হাসনাত করিমকে গ্রেফতার এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও মামলার অভিযোগ থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সিটিটিসির প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, আর্টিজানে হামলার ঘটনায় করা মামলার এজাহারে আসামির কলামে কারও নাম ছিল না। এজাহারের বডিতে হাসনাত করিমের নাম ছিল। আর্টিজান থেকে যাদের জীবিত উদ্ধার করেছি এমন ১৭ জন এবং যেই ছয় আসামিকে জীবিত উদ্ধার করে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের জবানবন্দি ও আলামত যাচাই করে যাদের সম্পৃক্ততার নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে চার্জশিটে তাদের নাম দেয়া হয়েছে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, নব্য জেএমবির একটি সাংগঠনিক পরিকল্পনা নিয়ে এ হামলা করা হয়েছে। তাদের এ পরিকল্পনার কোথাও হাসনাত করিমের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া যারা জীবিত গ্রেফতার হয়েছে তাদের কথায়ও হাসনাত করিমের নাম আসেনি। সুতরাং, হাসনাত করিমের দেয়া ব্যাখ্যার চাইতেও অন্যান্য যারা প্রত্যক্ষদর্শী ছিল তাদের জবানবন্দির ওপর ডিপেন্ড করেছি এবং চার্জশিটে আদালতকে ব্যাখ্যা করেছি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজান হামলার দিন জীবিত উদ্ধারের পর থেকেই গোয়েন্দা হেফাজতে রাখা হয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এ শিক্ষক হাসনাতকে।

গুলশানে হামলার দুদিন পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে হাসনাত করিমের সঙ্গে জঙ্গিদের নিশ্চিন্তে কথা বলার ছবি প্রকাশ হলে তার সংশ্লিষ্টতার গুঞ্জন ওঠে। গুলশান হামলার এক মাস পর তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। কয়েকবার জামিন আবেদন করলেও দুই বছর ধরে তিনি কারাগারে আছেন।

হলি আর্টিজানের ওই জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশি ও দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ২২ জন মারা যান। জীবিত জিম্মিদের উদ্ধারে ২ জুলাই ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এতে হামলাকারী ছয় জঙ্গিও নিহত হন।

অভিযানে এক জাপানি ও দুই শ্রীলঙ্কানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় ৪ জুলাই গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। মামলার তদন্তভার দেয়া হয় পুলিশের সন্ত্রাস দমন ইউনিট সিটিটিসিকে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ