1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় ভোর ৫:১৪ আজ বৃহস্পতিবার, ৫ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




জোটের সমীকরণ, ভোটের হিসাব: মুখোমুখি বিএনপি – জামায়াত

  • সংবাদ সময় : রবিবার, ২২ জুলাই, ২০১৮
  • ২২৮ বার দেখা হয়েছে

সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেই মুখোমুখি অবস্থানে বিএনপি-জামায়াত। মূলত সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াত ২০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে তাদের দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর এই বিরোধ সৃষ্টি হয়। তবে বর্তমানে জোটের সমীকরণ বদলে এই দ্বন্দ্ব অনেকটাই প্রকাশ্য, যা প্রভাব ফেলবে ভোটের রাজনীতিতে।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচন ঘিরে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু কেন্দ্রের নির্দেশে শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র তোলেনি তারা। তবে জোটের শরিক দল বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকেও সমর্থন দেয়নি। আগামীতেও সমর্থন দেবে কিনা সংশয় রয়েছে রাজশাহী জামায়াতের। তাদের দাবি সমর্থন দিয়েই লাভ কি? কেননা গত কয়েক বছরের কেন্দ্রের রাজনীতিই চিড় ধরিয়েছে বিএনপি জামায়াতের সম্পর্কে। কাগজে কলমে জোটবদ্ধ থাকলেও মূলত রাজনীতির মাঠে তাদের কার্যকলাপ বিপরীত।

স্থানীয় বিএনপি মনে করে, নির্বাচনে জেতার জন্য জামায়াতকে ছাড় দেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। ফলে রাজশাহীতে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। আর এ কারণে নির্বাচন নিয়ে স্থানীয়ভাবে জটিলতার মধ্যে পড়েছে বিএনপি। কেননা বিএনপির টার্গেট ছিল জামায়াতের কিছু ভোট নিজেদের করে নেয়া।

এই পরিস্থিতির উদ্ভব কোথায়—এমন প্রশ্ন ছিল বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা ও জোটের শীর্ষ কয়েকজন নেতার কাছে। তারা সবাই বলেছেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন থেকেই এ সমস্যার শুরু। জোটের নেতৃত্বে থাকা বিএনপিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, গাজীপুরে ছাড় দিতে। তাতে বিএনপি রাজি না হওয়ায় বরিশাল, রাজশাহী বা সিলেটের যেকোনো একটিতে ছাড় দেওয়ার কথা বলে রেখেছিল। ওই পরিস্থিতিতে বিএনপি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো জবাব দেয়নি। রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে জামায়াতকে একঘরে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল বিএনপি। প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে জোটের প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করছে না বিএনপি সেখানে কিভাবে জনগণের দাবির প্রতি সচেষ্ট হবে তারা- জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে সে প্রশ্ন।

জোটের সমীকরণে ভোটের রাজনীতি কোন পথে মোড় নেয় তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে ৩০ তারিখ পর্যন্ত। মানুষের প্রত্যাশা- সঠিকভাবে তারা প্রয়োগ করতে পারবেন তাদের ভোটাধিকার, এগিয়ে যাবে গণতন্ত্রের মিছিল।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ