1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ৯:২২ আজ বুধবার, ১১ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




বগুড়ায় আস্থা প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু :জেন্ডারভিত্তিক নির্যাতন বন্ধে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একসাথে কাজ করবে

  • সংবাদ সময় : বুধবার, ১৮ জুলাই, ২০১৮
  • ৩০৯৭ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্ট: টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো নারীর ক্ষমতায় ও জেন্ডার সমতা অর্জন। বাংলাদেশে জেন্ডারভিত্তিক নির্যাতনের ঘটনা  অনেক বেশি।  কেবল শারীরিক নির্যাতন নয়, এখন অনেকে বেশি মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তাঁরা।  এই বিষয়ে সচেতনতা না বাড়লে হবে। তবেই নারী ও শিশুরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে। তাহলে সমাজ এগিয়ে যাবে, দেশ জেন্ডার সমতা ও বৈষম্যহীন রাস্ট্রে বিশ্বের কাছে পরিচিত অর্জন করতে পারবে।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া একটি হোটেলে দাতা স্ংস্থা এ্যাম্বাসি অব দি কি্ংডম অব দি নেদারল্যান্ড এবং ইউএনএফপিএ  অর্থায়নে আইন ও সালিশ কেন্দ্রে (আসক এর সহায়তায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) এর আয়োজনে নির্যাতন শিকার নারী ও শিশুদের সরকারি বহুমুখি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ ও সেবা বৃদ্ধি  বিষয়ে আস্থা প্রকল্পের অবহতিকরণ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেছেন।

জিইউকে’র নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস্‌ সালাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক নূরে আলম সিদ্দিকী।  বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. শামসুল হক, সিনিয়র সহকারি জজ ও জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা জেসমিন আরা জাহান, ইউএনএফপিএ বা্ংলাদেশ এর ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ মি. ইয়োরী কাটো,  আবু সাঈদ সুমন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র(আসক)এর আস্থা প্রকল্পেটের টীম লিডার খালেদা খানম। উদ্বোধণী অনুষ্ঠানে  রকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সা্ংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ১৪০ জন নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের অন্যতম প্রধান কারণ হলো বাল্যবিবাহ। সমাজের অধিকাংশ নির্যাতন কমে যাবে শিশু বিবাহ সম্পূর্ণভাবে রোধ করা গেলে। বাল্যবিয়ে বা শিশু বিয়ে রোধে সবাইকেই দায়িত্ব পালন করতে হবে জানান । বিশেষ অতিথি পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা জানান, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও পরিবার ও  সমাজিক প্রেক্ষাপটে কেউ প্রকাশ করতে চান। এজন্য নির্যাতনের শিকার ভিটটিমদেরকে প্রত্যেকের অবস্থান থেকে তাদের মতো করে সহযোগিতা করার বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্তমান সরকার সবধরণের উদ্যোগ নিয়েছে।

ইউএনএফপিএ বা্ংলাদেশ এর ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ মি. ইয়োরী কাটো বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যার ব্যুরোর হিসাব মতে, ২০১৫ সালে প্রায় ৭৩ শতাংশ বিবাহিত নারী কোনো না কোনোভাবে তাঁদের জীবন সঙ্গীর কাছে সহিংসতার শিকার। একটি বৃহৎ অংশ শারীরিক ও যৌন সহিংসতার শিকার হলে তা অন্য কারও কাছে প্রকাশ করতে পারেন না। ফলে তাঁরা আইনী সহায়তাও পায় না। এজন্য একটি সমতাভিত্তিক বা্ংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে সরকারকে ইউএনএফপিএ সবধরণের সহযোগিতা করবে।

উম্মুক্ত আলোচনয় বক্তারা জানান, সমাজে নারী ও শিশুদের সমানভাবে দেখতে হবে। প্রয়োজনে নারীদের জন্য আলাদা কর্মকর্তা নিয়োগ করতে হবে। কারণ নির্যাতিত অনেক নারী পুরুষ কোনো কর্মকর্তার কাছে তা বলতে চান না। নারী কোনো কর্মকর্তা হলে তা সহজেই কেউ বলতে পারতেন। অনেক ক্ষেত্রে মিডিয়াতে নির্যাতনের নারীদের প্রকৃত ঘটনা উঠে আসে বলে অনেকে অভিমত ব্যক্ত করেন।

জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার শিকার নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে সেবা বৃদ্ধি করা খুব জরুরি। প্রত্যেক মানুষ ও সামাজিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার এসব নির্যাতন প্রতিরোধের জন্য। বগুড়া জেলায় সাড়ে তিন বছর মেয়াদি এই প্রকল্পটি বাস্তয়ায়িত হলে নারী ও শিশু নির্যাতনের বন্ধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ