1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় দুপুর ১:২৩ আজ শনিবার, ৭ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




আইটি খাতে বাংলাদেশের উন্নয়ন

  • সংবাদ সময় : সোমবার, ৯ জুলাই, ২০১৮
  • ১৮৪ বার দেখা হয়েছে

তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা মানুষের হাতে পৌছে দিতে বাংলাদেশ সরকার নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। সরকারি সেক্টর থেকে শুরু করে বেসরকারি সেক্টরগুলোও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গার্মেন্টস, বৈদেশিক রেমিটেন্স, কৃষিখাত এই তিনটি সেক্টর বিশেষ অবদান রাখছে। উন্নয়নের চতুর্থ ভিত্তি হিসেবে আইটি সেক্টরকে ভাবছে বাজার বিশ্লেষকরা।

পিপল এন টেক কোর্স এবং প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ২০০৪ সাল থেকে অধ্যবধি প্রায় চার সহস্রাধিক বাংলাদেশিকে বছরে ৮০ হাজার ডলার থেকে ২ লক্ষ ডলার পর্যন্ত বেতনের চাকরি প্রদানে সহায়তা করছে। কেপিএমজির তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশ ৭টি আউটসোর্সিং ডেসটিনেশনের মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম আইটি ডেসটিনেশনের সম্ভাবনাময় দেশ।

জানা যায়, আইটি সেক্টর থেকে দেশের মানুষ এখন ৪৩ ধরনের সরকারী সেবা পাচ্ছেন। তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন তরুণ তরুণীরা আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। বিপ্লব ঘটছে সফটওয়্যার শিল্পেও। দেশে তৈরি সফটওয়্যার বিদেশে রফতানি হচ্ছে। এ থেকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। সরকারের উদ্যোগ না থাকলে বেসরকারি পর্যায়ে এমন সাফল্য আসতে হয়তো আরো অনেক সময় লেগে যেত।

বাংলাদেশ আইসিটি খাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ পর্যন্ত মোট চার টি পুরস্কার লাভ করেছে। সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩১৭২ টি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। ৫২৭৫ টি ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২০০ ধরণের ডিজিটাল সেবা প্রদান করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এখন মোবাইল সিম গ্রাহকের সংখ্যা ১৩ কোটির বেশী। ইন্টারনেট গ্রাহক ৫ কোটি ৭ লাখ ৭ হাজারের বেশী। গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর এবং যশোরে হাই-টেক পার্ক স্থাপন করা হচ্ছে। বিভাগীয় শহরে সিলিকন সিটি স্থাপনের কার্যক্রম চলছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ওয়াই-ফাই এর মাধ্যমে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া শুরু হয়েছে। ২৫ হাজার ওয়েবসাইট নিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম ওয়েব পোর্টাল “তথ্য বাতায়ন” চালু হয়েছে যা আর্ন্তজাতিক পুরস্কার লাভ করেছে। বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সাফল্য তুলে ধরে বক্তব্য দিয়েছেন বিশ্বসেরা সফটওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। ইন্টারনেট ডট ওআরজি কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু করায় নিজের স্ট্যাটাসে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছেন ফেসবুকের কর্ণধার মার্ক জাকারবার্গ।

২০০৯ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শুরু হয় ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার কার্যক্রম “জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা” স্লোগানে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে “ভিশন-২০২১” ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী, যা এখন পুরোপুরি দৃশ্যমান।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ