1. aftabguk@gmail.com : aftab :
  2. ashik@ajkerjanagan.net : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. chairman@rbsoftbd.com : belal :
  4. ceo@solarzonebd.com : Belal Hossain : Belal Hossain
×
     

এখন সময় সকাল ৯:৫৮ আজ বৃহস্পতিবার, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




দেশকে প্রগতির পথে নিয়ে যেতে ব্যাংকিং খাত

  • সংবাদ সময় : রবিবার, ১ জুলাই, ২০১৮
  • ৩৪০ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ধারক এবং বাহক হিসেবে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য । অর্থ লেন-দেন এবং সঞ্চয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ঋণসেবা প্রদান, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ নিশ্চিতকরণসহ নানাবিধ কার্যক্রম আবর্তিত হয় এই খাতকে ঘিরেই । বর্তমান সরকারের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টায় ব্যাংকিং খাতের সার্বিক সেবামান একদিকে যেমন বৃদ্ধি হয়েছে তেমনি এ খাতের আধুনিকায়নের ফলে গতিশীলতা এসেছে বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ।

বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস্ এবং মুডিস এর সমীক্ষা অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতার বিচারে প্রতিবেশী ভারত ছাড়া অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে বাংলাদেশ ।

সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে ব্যাংকিং সেবার কর্মসূচীর আওতায় আনার লক্ষ্যে ১০ টাকা দিয়ে ব্যাংক হিসাব খোলার ব্যবস্থা করেছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক । এছাড়াও জামানতবিহীন এসএমই ঋণ সুবিধার কারণে উদ্যোক্তারা পাচ্ছেন নতুন দিনের আশা। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিক ও নিরাপদ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম চালুর জন্য ‘বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস’ গড়ে তোলা হয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা।

এছাড়াও শহর এবং গ্রামাঞ্চলে শাখার অনুপাত সমান করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক জারি করেছে সার্কুলার যার ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে শুরু হয়েছে পুনর্জাগরণ । গ্রাহকসেবা আধুনিকায়ন করার ফলে সরকারি ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তোলার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা আর অপেক্ষা করতে হয়না কোনো গ্রাহককে । পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিং এর আওতায় দেশজুড়ে মানুষ এখন ভোগ করছে ব্যাংকিং সুবিধা ।

একটি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হলো একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং অবকাঠামো যা গঠন করার লক্ষ্যে শুরু থেকেই কাজ করে যাচ্ছে সরকার । ব্যাংকিং খাতকে আরো আধুনিক এবং সম্প্রসারিত করতে সরকারের প্রয়াস সামনের দিনগুলোতে অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শুরু হবে নবজাগরণ এমনটিই মনে করেন বিশ্লেষকরা ।ধারক এবং বাহক হিসেবে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য । অর্থ লেন-দেন এবং সঞ্চয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ঋণসেবা প্রদান, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ নিশ্চিতকরণসহ নানাবিধ কার্যক্রম আবর্তিত হয় এই খাতকে ঘিরেই । বর্তমান সরকারের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টায় ব্যাংকিং খাতের সার্বিক সেবামান একদিকে যেমন বৃদ্ধি হয়েছে তেমনি এ খাতের আধুনিকায়নের ফলে গতিশীলতা এসেছে বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ।

বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস্ এবং মুডিস এর সমীক্ষা অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতার বিচারে প্রতিবেশী ভারত ছাড়া অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে বাংলাদেশ ।

সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে ব্যাংকিং সেবার কর্মসূচীর আওতায় আনার লক্ষ্যে ১০ টাকা দিয়ে ব্যাংক হিসাব খোলার ব্যবস্থা করেছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক । এছাড়াও জামানতবিহীন এসএমই ঋণ সুবিধার কারণে উদ্যোক্তারা পাচ্ছেন নতুন দিনের আশা। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিক ও নিরাপদ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম চালুর জন্য ‘বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস’ গড়ে তোলা হয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা।

এছাড়াও শহর এবং গ্রামাঞ্চলে শাখার অনুপাত সমান করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক জারি করেছে সার্কুলার যার ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে শুরু হয়েছে পুনর্জাগরণ । গ্রাহকসেবা আধুনিকায়ন করার ফলে সরকারি ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তোলার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা আর অপেক্ষা করতে হয়না কোনো গ্রাহককে । পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিং এর আওতায় দেশজুড়ে মানুষ এখন ভোগ করছে ব্যাংকিং সুবিধা ।

একটি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হলো একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং অবকাঠামো যা গঠন করার লক্ষ্যে শুরু থেকেই কাজ করে যাচ্ছে সরকার । ব্যাংকিং খাতকে আরো আধুনিক এবং সম্প্রসারিত করতে সরকারের প্রয়াস সামনের দিনগুলোতে অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শুরু হবে নবজাগরণ এমনটিই মনে করেন বিশ্লেষকরা ।




সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ